West Bengal Governor Jagdeep Dhankhar: কমিশনই ঠিক করবে কলকাতায় কবে পুর নির্বাচন হবে, টুইট বার্তায় জানালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়
Photo Source: ANI

কলকাতা, ১৬ মার্চ: কলকাতায় পুরভোটকে কেন্দ্র করে শাসকদল ও বিরোধীদের মদ্যে চাপানউতোরের সেষ নেই। এমনিতেই করোনাভাইরাসকে কেন্দ্র করে গোটা বিশ্ব উথালপাথাল হে আছে। রাজ্যেও ১২ জনকে হাসপাতালের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১১০। এই পরিস্থিতিতে সমস্ত জমােত, সভাসমিতি, অনুষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। স্কুলেও পড়েছে তালা। এখন ভোট হলে সাধারণ মানুষ বিপদে পড়বেন। তাই কমিশনের হাতেই ভোটের দিন নির্ধারণের দায়িত্ব ছেড়ে রাজ্যের শাসকদল। এক টুইট বার্তায় সেই মতকে সমর্থন করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। এদিন ভোরে টুইটে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar) সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট পরিচালনের আবেদন রেখেছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে। তিনি জানিয়েছেন সুষ্ঠু ভোট সম্পন্ন করা গণতান্ত্রিক দেশে জাতীয় দায়বদ্ধতা। ব্যর্থতার দায়ও নিতে হবে কমিশনকেই।

এই আর্জি জানিয়ে দিন কয়েক আগেই একটি চিঠিও রাজ্যপালের তরফে পাঠানো হয় রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ কুমার দাসকে। চিঠিতে রাজ্যের আসন্ন পুরভোটকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনের আর্জি জানানো হয়েছে। তার আগে বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের উপরে ছাড়ার কথা জানান পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও ফিরহাদ হাকিম। তৃণমূলের মহাসচিব বলেন,''অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। আজ বৈঠক। পুরভোটের সিদ্ধান্ত কমিশন নেবে। আমাদের দলের মধ‍্যেও আলোচনা চলছে।'' নির্বাচন কমিশনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন কলকাতা পুরসভার মেয়র। তবে করোনা আতঙ্ক শাসক দলের কাছে ভোট পিছিয়ে দেওয়ার সুযোগ বলে মনে করেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। আরও পড়ুন-  Coronavirus Outbreak In Delhi: দিল্লির এইমসে নেই করোনাভাইরাস রোধের চিকিৎসা সরঞ্জাম, ডিরেক্টরকে চিঠি দিলেন রেসিডেন্ট ডাক্তাররা

উল্লেখ্য, করোনার আবহে ইতিমধ্যেই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে পুরভোট নিয়ে। পুরভোট নিয়ে আলোচনার জন্য সোমবার রাজ্যের ১০টি স্বীকৃত রাজনৈতিক দলকে সর্বদলীয় বৈঠকে ডেকেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। পুরভোট নিয়ে বিজেপির অবস্থান ইতিমধ্যেই স্পষ্ট। দলের রাজ্য সভাপতির কথায়,''বিপর্যয়ের আশঙ্কা থাকলে পুরভোট পিছিয়ে দেওয়াই ভাল।'' বিজেপি নেতা মুকুল রায় বলেছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনাকে মহামারী ঘোষণা করেছে। ভারত সরকারও বিপর্যয় আখ্যা দিয়েছে। স্কুল-কলেজ বন্ধ করে দিয়েছে রাজ্য সরকার। এই পরিস্থিতিতে ভোটটা হবে কীভাবে?''