CJI SA Bobde: ধর্ষণ মামলার দ্রূত নিষ্পত্তিতে দুই বিচারপতির কমিটি তৈরি করলেন সিজেআই এসএ বোবদে
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি শরদ অরবিন্দ বোবদে (Photo Credits: IANS)

নতুন দিল্লি, ১৭ ডিসেম্বর: একের পর এক যৌন নির্যাতনের ঘটনা দেশে বেড়েই চলছে। অপরাধী বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আর নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবার অসহায়ের মতো বসবাস করছে। আদালতে গেছো কি প্রাণনাশের হুমকি। পুলিশ অভিযোগ নিচ্ছে না। কেস চলছে দিনের পর দিন। কোনও এক সুযোগে নির্যাতিতার মনোবল ভাঙাতে বাডির লোককে খুন করছে ধর্ষকের দল। তারপর নির্যাতিতাকে পুড়িয়ে মারছে। এই ঘটনা আজ আর  এ দেশে বিরল নয়। তাইতো হায়দরাবাদে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের এনকাউন্টারে সারা দেশের মানুষ পুলিশের ভূমিকায় খুশি হয়েছিল। দেশবাসী যে বিচার ব্যবস্থায় আস্থা রাখতে পারছে না, এই ঘটনাই তা প্রমাণ করে।

তাই দেশের আদালতগুলিতে বিচারাধীন যৌন নির্যাতনের মামলাগুলির দ্রুত বিচারের জন্য বিশেষ তৎপর হলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে। এই জন্য দুই সদস্যের কমিটি গঠন করেছেন তিনি। সোমবার রাতে এই খবর জানা গিয়েছে। হায়দরবাদের তরুণী চিকিৎসক গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় ৪ অভিযুক্তের পুলিশের গুলিতে মৃত্যুর ঘটনার এক সপ্তাহ যেতে না যেতে এই বিশেষ বিচারবিভাগীয় কমিটি গঠন করা হল। দেশের বিচার ব্যবস্থায় যে কিছু ত্রুটি আছে, তা গত সপ্তাহেই স্বীকার করে নিয়েছিলেন স্বয়ং সুপ্ৰিম কোৰ্টের প্রধান বিচারপতি শরদ অরবিন্দ বোবদে। এবং অবিলম্বে এই সমস্ত ত্ৰুটি মেরামতের ওপরে জোর দিয়েছিলেন তিনি। যার রেশ ধরে এই বিচারবিভাগীয় কমিটি গঠন।তাছাড়া সাধারণ মানুষ বিচার ব্যবস্থার উপরে আস্থা রাখতে পারছে না। হায়দরাবাদর ঘটনায় মানুষের উদযাপন দেশের বিচারব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের হতাশার বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছে পর্যবেক্ষক মহল। আরও পড়ুন-Pranab Mukherje: ‘দেশের মানুষ ভোট দিয়ে একটি দলকে সরকার গড়ার সুযোগ দেয়, তার অর্থ এই নয় যে যা খুশি তাই করবে’ নাম না করেই কেন্দ্রকে তোপ প্রণব মুখার্জির

তাই তো দুই বিচারপতির কমিটি গঠন করলেন প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদে। বিচারপতি সুভাষ রেড্ডি এবং বিচারপতি এমআর শাহ হলেন এই দুই বিচারপতি। তাঁরা বিভিন্ন আদালতে বিচারাধীন ধর্ষণের মামলাগুলির দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য নজরদারি চালাবেন। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট হাইকোর্টের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা করে কাজ করবে সুপ্রিম কোর্টের এই কমিটি। ধর্ষণ সংক্রান্ত মামলার শ্লথ বিচার প্রক্রিয়ার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিচার বিভাগের প্রতি অনাস্থা সৃষ্টি হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। এমন একটি সময়ে এই কমিটি গঠনের খবর সামনে এল।