WHO Chief Tedros Adhanom: এবার ভ্যাকসিনের প্রয়োগে করোনাভাইরাস দূরীকরণের আশা জাগছে, বললেন WHO প্রধান

“এবার করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক নিয়ে সত্যিই আশা জাগছে। বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের মাধ্যমে এখনও পর্যন্ত এই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া গিয়েছে, যে আসন্ন ভ্যাকসিন মহামারীকে নির্মূল করতে বড় ভূমিকা নেবে।” একথা বললেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রস আধানম ঘেব্রেয়াসিস (WHO Chief Tedros Adhanom)। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়-অ্যাস্ট্রাজেনেকা জুটির তৈরি ভ্যাকসিন ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অন্তর্বর্তীকালীন রিপোর্ট প্রকাশ করে তারা জানিয়েছে, ব্রিটেন ও ব্রাজিলের ট্রায়ালে করোনা রুখতে গড়ে ৭০ শতাংশ কার্যকরী প্রমাণিত হয়েছে।

WHO Chief Tedros Adhanom: এবার ভ্যাকসিনের প্রয়োগে করোনাভাইরাস দূরীকরণের আশা জাগছে, বললেন WHO প্রধান
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান (Photo Credits: Getty Images)

জেনেভা, ২৪ নভেম্বর: “এবার করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক নিয়ে সত্যিই আশা জাগছে। বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের মাধ্যমে এখনও পর্যন্ত এই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া গিয়েছে, যে আসন্ন ভ্যাকসিন মহামারীকে নির্মূল করতে বড় ভূমিকা নেবে।” একথা বললেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রস আধানম ঘেব্রেয়াসিস (WHO Chief Tedros Adhanom)। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়-অ্যাস্ট্রাজেনেকা জুটির তৈরি ভ্যাকসিন ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অন্তর্বর্তীকালীন রিপোর্ট প্রকাশ করে তারা জানিয়েছে, ব্রিটেন ও ব্রাজিলের ট্রায়ালে করোনা রুখতে গড়ে ৭০ শতাংশ কার্যকরী প্রমাণিত হয়েছে। ফাইনাল পরীক্ষায় অ্যাস্ট্রাজেনেকা আরও ভাল ফল করলে, সস্তায় সহজলভ্য হবে প্রতিষেধক। তাছাড়া ‘ব্র্যান্ড অক্সফোর্ড’, তাই নিরাপত্তা নিয়ে ভরসা আছে। এরপরেই প্রতিষেধক নিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন WHO প্রধান।

টেড্রস আধানম ঘেব্রেয়াসিস বলেন, “এই বৈজ্ঞানিক কৃতিত্বের তাৎপর্য নিয়ে বেশি কিছু বলাই উচিত হবে না। পৃথিবীর ইতিহাসে এই করোনা প্রতিষেধকের মতো অন্য কোনও রোগের ভ্যাকসিন এত দ্রুততার সঙ্গে ও ব্যাপকহারে প্রস্তুতের সুযোগ আসেনি। ভ্যাকসিন তৈরিতে নতুন উদারণ রেখেছেন বিশ্বের বিজ্ঞানীরা। তাই যেমন দ্রুত উপায়ে প্রতিষেধক তৈরি হল তেমনই দ্রুততা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে সেই প্রতিষেধক সবার কাছে পৌঁছে দিতে হবে।” এই প্রসঙ্গে ভারতে তাদের টিকা-প্রস্তুতকারী সংস্থা সিরাম ইনস্টিটিউটের কর্ণধার আদার পুণাওয়ালা বলেছেন, ‘‘মাস দুই-তিনেক লাগবে টিকা ভারতের বাজারে আসতে। ভারত সরকার আমাদের জুলাইয়ের মধ্যে ৩০ থেকে ৪০ কোটি ডোজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছে। জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ১০ কোটি ডোজ় সরবরাহ করতে পারব আমরা।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘আমরা দাম ধার্য করেছি সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা। সরকারকে ২৫০ টাকা বা তার কম দামে সরবরাহ করা হবে। বেসরকারি জায়গাগুলিতে ৫০০-৬০০ টাকা মতো দাম পড়বে (আরও ২০০টাকা ডিস্ট্রিবিউটরের জন্য)।’’ তবে ৯০ শতাংশ ডোজ়ই সরকারকে বিক্রি করা হবে বলে জানিয়েছেন পুণাওয়ালা। এখন অপেক্ষা শুধু সরকারি ছাড়পত্রের। আরও পড়ুন-Delhi Woman Fires Bullets: আনাজের দোকান লক্ষ্য করে একের পর গুলি ছুঁড়ছে বোরখাওয়ালি, রাজধানীতে ভাইরাল ভিডিও

এদিকে করোনা ভ্যাকসিন আবিষ্কারে অ্যাস্ট্রাজেনেকা অক্সফোর্ড জুটির সাফল্যে খুশি ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তিনি বলেন, ‘‘দারুণ খবর। তবে নিরাপত্তা সংক্রান্ত আরও কিছু বিষয় খতিয়ে দেখার আছে। অসাধারণ রেজাল্ট।’’ বিদেশমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক জানিয়েছেন, সব ঠিক থাকলে সামনের মাস থেকে সে দেশে টিকাকরণ শুরু করা যেতে পারে। এখনও ভারত, আমেরিকা, কেনিয়া ও জাপানে ট্রায়াল চলছে। ৬০ হাজারের কাছাকাছি স্বেচ্ছাসেবক তাতে অংশ নিয়েছেন।

(The above story first appeared on LatestLY on Nov 24, 2020 02:49 PM IST. For more news and updates on politics, world, sports, entertainment and lifestyle, log on to our website latestly.com).