Israel-Palestine Tensions: গাজা ও পশ্চিম তীরে অব্যাহত হিংসার ঘটনা, জাতিসংঘে উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের
জাতিসংঘে ভারতের রাষ্ট্রদূত টিএস তিরুমূর্তি

নিউইয়র্ক, ১৭ মে: প্যালেস্টাইনের গাজা ও পশ্চিম তীরজুড়ে একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইজরায়েল। এই ঘটনায় এবার উদ্বেগ প্রকাশ করলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত টিএস মূর্তি (TS Tirumurti)। একই সঙ্গে এই পরিস্থিতিতে ইজরায়েল ও প্যালেস্টাইন দুই পক্ষকেই চরম সংযত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে ইউএনএসসি-র বিতর্ক সভায় টিএস তিরুমূর্তি বলেন, “পশ্চিম তীর ও গাজায় যে হিংসার ঘটনা ক্রমাগত ঘটে চলেছে তানিয়ে আশঙ্কায় রয়েছি। প্রায় এক সপ্তাহ আগে পূর্ব জেরুজালেমে শুরু হওয়া এই হামলার ঘটনা দিনে দিনে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। যেকোনও মুহূর্তে হিংসাত্মক পরিস্থিতি সমস্ত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। সাতদিন ধরে চলতে থাকা এমন অরাজকতার জেরে সংশ্লিষ্ট এলাকার সুরক্ষা ব্যবস্থার তীব্র অবনতি ঘটেছে।”

তিরুমূ্র্তি নিজের বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি করেছেন, “যে কোনওরকম হিংসাত্মক ঘটনা থেকে দূরে থাকতে আমি দুপক্ষকেই অনুরোধ করছি। এমন কিছু কারোরই করা উচিত নয় যাতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। সমস্ত রকমের হিংসা যাতে কমানো যায়, খুব শিগগির এ ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে। হিংসা ভুলে পূর্ব জেরুজালেম-সহ আশপাশের বিধ্বস্ত এলাকায় শান্তি ফেরাতে আরও বেশি সচেতন হতে হবে।” আরও পড়ুন-Anjan Bandyopadhyay: করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত বিখ্যাত সাংবাদিক অঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়

গত সপ্তাহেই জাতিসংঘের সিকিউরিটি কাউন্সিল এনিয়ে দুটি রুদ্ধদার বৈঠক করে। এই দুই বৈঠকেই জেরুজালেমের উপরে হওয়া হামলার ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। বিশেষ করে রমজানের সময় হারাম আল শরিফের উপরে যে হামলার ঘটনা ঘটেছে তা যথেষ্ট নিন্দনীয়।

উল্লেখ্য, গাজায় (Gaza) ইসরায়েলের মিসাইল হামলার জেরে ভেঙে পড়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের ২টি অফিস। যার মধ্যে রয়েছে অ্যাসোসিয়েট প্রেস এবং আল জাজিরার অফিস (Al Jazeera)। গাজার বেশ কয়েকটি বহুতলে মিসাইল হামলা চালাতে পারে ইসরায়েল (Israel), এমন খবর পাওয়ার পরপরই ওই বহুতলগুলি খালি করে দেওয়ার কাজ শুরু করে সেনা বাহিনী। বহুতলগুলি যখন ফাঁকা করার কাজ চলছে, সেই সময় আচমকাই সেখানে বিকট শব্দে বোমাবর্ষণ শুরু হয়। যার জেরে কাগজের মতো গুড়িয়ে যায় পরপর দুটি বহুতল। ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলার ফলে যে বহুতলগুলি ভেঙে পড়ে, সেখান থেকে কালো মেঘের মতো ধোঁয়া উড়তে শুরু করে। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় প্রায় গোটা আকাশ।