Deepavali 2019: দীপাবলির উপহারের বাক্সে এই ফলগুলি রাখতেই হয় জানতেন?
দীপাবলির উপহারের বাক্সের ফলের প্রতীকি ছবি (Photo Credits: pixabay)

পঞ্জিকা মতে আশ্বিন মাসের চতুর্দশী তিথিতে কালীপুজো (Kali Puja) হয়। আশ্বিন মাসের কৃষ্ণা ত্রয়োদশীর দিন ধনতেরাস অথবা ধনত্রয়োদশীর (Dhanteras) মধ্য দিয়ে দীপাবলি উৎসবের (Deepavali) সূচনা হয়। কার্তিক মাসের শুক্লা দ্বিতীয়া তিথিতে ভাইফোঁটার (Bhai Phonta) মাধ্যমে এই উৎসব শেষ হয়। নবরাত্রি উৎসব (Navratri) অথবা বাঙালিদের দুর্গোৎসব শেষ হওয়ার ১৮ দিন পর দীপাবলি শুরু হয়। কালী পুজোর সঙ্গে সঙ্গে বাংলায় দীপাবলির সমারোহ লক্ষ্য করা যায় ভীষণভাবে। তবে দীপাবলির জৌলুস সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যায় তবে অবাঙালি রাজ্যগুলিতেই। এই সমস্ত রাজ্যগুলিতে দীপাবলির দিন উপহার দেওয়ারও চল রয়েছে। শুভেচ্ছা স্বরূপ দীপাবলির উপহারের বাক্সে পরিজনদের ফল দেওয়ার চল রয়েছে।

কিন্তু জানেন কোন কোন ফল রাখতেই হয় এই উপহারের বাক্সে (Gift Box)? গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে, মধ্য অক্টোবর থেকে মধ্য নভেম্বরের মধ্যে দীপাবলি অনুষ্ঠিত হয়। উত্তর ভারতীয় হিন্দুদের মতে, দীপাবলির দিনেই শ্রীরামচন্দ্র চৌদ্দ বছরের নির্বাসনের পর অযোধ্যায় ফিরে এসেছিলেন। রাজাকে ফিরে পেয়ে অযোধ্যাবাসী ঘিয়ের প্রদীপ জ্বেলে সাজিয়ে তুলেছিলেন রাজ্য। এই দিনটিতে পূর্বভারত বাদে সম্পূর্ণ ভারতে লক্ষ্মী-গণেশের পুজোর (Laxmi-Ganesh Puja) নিয়ম আছে। আবার জৈন মতে, ৫২৭ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে মহাবীর (Mahavir Jain) দীপাবলির দিনেই মোক্ষ বা নির্বাণ লাভ করেছিলেন। ১৬১৯ খ্রিষ্টাব্দে শিখদের ষষ্ঠ গুরু হরগোবিন্দ ও ৫২ জন রাজপুত্র দীপাবলির দিন মুক্তি পেয়েছিলেন বলে শিখরাও এই উৎসব পালন করেন। আর্য সমাজ এই দিনে স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতীর (Dayananda Saraswati) মৃত্যুদিন পালন করে। তারা এই দিনটি 'শারদীয়া নব শস্যেষ্টি' হিসেবেও পালন করেন। এছাড়া, নেপাল-ভারত-বাংলাদেশের সকল সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যেই এই উৎসব নিয়ে উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। দীপাবলি নামটির অর্থ "প্রদীপের সমষ্টি।" দীপাবলির উপহারের বাক্সে (Deepavali Gift Box) যেসব শুকনো ফলগুলি পরিজনদের জন্য সাজিয়ে দিয়ে থাকেন অবাঙালি ভারতবাসীরা। সেগুলি হল- কাজু, কিসমিস, পেস্তা, আখরোট এবং আল মণ্ড বাদাম। আরও পড়ুন: Kali Puja 2019: ১৪ শাক কেন খাওয়া হয় জানেন?

দীপাবলিতে সারি সারি প্রদীপের (Lamp) আলো দিয়ে ভগবানকে নিজের বাড়িতে আহ্বান জানানো হয়। চতুর্থ দিন কার্তিক শুক্লা প্রতিপদ। এই দিন বৈষ্ণবেরা গোবর্ধন পূজা (Govardhan Puja) করেন। পঞ্চম দিন যমদ্বিতীয়া বা ভ্রাতৃদ্বিতীয়া বা ভাইফোঁটা। এই দিন বোনেরা তাদের ভাইদের জন্যে উপোস করে তাদের বাড়িতে নিমন্ত্রণ করে।