Donald Trump Impeachment Trial: ইমপিচমেন্টে বেকসুর খালাস, ফের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ডোনাল্ড ট্রাম্প (Photo Credits: Getty Images/File)

ওয়াশিংটন ডিসি, ৬ অক্টোবর: মার্কিন কংগ্রেসের ইমপিচমেন্ট যেন সাজানো তদন্তের রূপ নিল। চার মাসের প্রক্রিয়া শেষে বেকসুর খালাস পেয়ে গেলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (US President Donald Trump)। বুধবার সেনেটের উচ্চকক্ষে ভোটাভুটি হলে ইমপিচমেন্টে উতরে যান ট্রাম্প। ডেমোক্র্যাটদের অস্বস্তি আরও বাড়াতে পারে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। কারণ এতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা আরও বেড়ে যাবে। এমনিতেই বর্তমানে প্রায় ৪৯ শতাংশ মার্কিন ভোটার ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট পদের যোগ্য প্রার্থী বলে মনে করেন। এর উপর এই উপরি জয় দ্বিতীয় বার ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জিতিয়ে দেওয়ার সুযোগ করে দিল বলেই মনে করা হচ্ছে। কোনও ভাবে যদি মার্কিন কংগ্রেসে দোষী সাব্যস্ত হতেন ট্রাম্প, তাহলে তাঁকে প্রেসিডেন্ট পদ ছাড়তে হতো।

এদিকে তেমনটা না ঘটায় ট্রাম্পের অনুগামীদের কটাক্ষের শিকার হচ্ছেন মার্কিন ডেমোক্র্যাটরা। বলা হয়েছে, “ডেমোক্র্যাটরা জানতেন, কোনও ভাবেই ট্রাম্পকে ইমপিচ করা যাবে না। তার পরেও কেবল ভোটের দিকে তাকিয়ে এমনটা করেছেন তাঁরা।” কেননা এই ডেমোক্র্যাটরাই অভিযোগ তুলেছিলেন, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী জো বিডেন এবং তাঁর ছেলের ব্যাপারে দুর্নীতির তদন্ত শুরু করতে ইউক্রেনের উপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন ট্রাম্প নিজে। শুধু তাই নয়, ইউক্রেন এতে রাজি না হওয়ায় তাদের ৪০ কোটি ডলারের প্রতিরক্ষা অনুদান বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। একার সিদ্ধান্তে বন্ধও হয়ে যায় অনুদান। আরও পড়ুন-Istanbul Airport: ১৭৭ জন যাত্রী নিয়ে রানওয়েতে তিন টুকরো হয়ে গেল বিমান, ইস্তানবুলে চাঞ্চল্য

ডিসেম্বর মাসে এই অভিযোগকে সামনে রেখেই ট্রাম্পের ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া শুরু করেন ডেমোক্র্যাটরা। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ ছিল, মার্কিন কংগ্রেসের কাজে বাধাও দিয়েছেন তিনি। এই সমস্ত অভিযোগ নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস’-এ এই ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব পাসও হয়ে যায়। তারই ভোটাভুটি ছিল বুধবার। জানা গেছে, প্রথম অভিযোগে ট্রাম্পকে বেকসুর খালাস দেওয়ার পক্ষে ভোট দেন ৫২ জন সেনেটর। ট্রাম্পের বিপক্ষে ভোট দেন ৪৮ জন। আবার দ্বিতীয় অভিযোগের ক্ষেত্রে ৫৩-৪৭ ভোটে সমস্ত অভিযোগ থেকে মুক্তি পেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।