Arati Saha: ভারতীয় সাঁতারু আরতি সাহার ৮০-তম জন্মদিনে গুগলের ডুডল
আরতি সাহা গুগল ডুডল (Photo Credits: Google)

ডুডলের মাধ্যমে ভারতীয় সাঁতারু আরতি সাহার (Arati  Saha) ৮০-তম জন্মদিন উদযাপন করছে গুগল। তাঁর কৃতিত্বকে সম্মান জানাতে ১৯৬০ সালে আরতি সাহাকে পদ্মশ্রী দেওয়া হয়। তিনিই প্রথম ভারতীয় মহিলা পদ্মশ্রী। ব্রিটিশ শাসনাধীন ভারতের কলকাতায় ১৯৪০ সালের ২৪ সেপ্টম্বর আরতি সাহার জন্ম হয়। হুগলি নদীতেই সাঁতার শিখেছেন তিনি। পরে তৎকালীন ভারতের অন্যতম সাঁতারুণ শচিন নাগের তত্ত্বাবধানেই আরতির সাঁতার প্রশিক্ষণ চলে। এই প্রশিক্ষণ চলাকালীন সময়ে ৫ বছর বয়সে প্রথম স্বর্ণপদক জেতেন আরতি সাহা। ১৯৫৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে সাঁতরে পেরিয়ে যান ইংলিশ চ্যানেল। ফ্রান্সের কেপ গ্রিজ নেস থেকে সাঁতার শুরু করে ইংল্যান্ডের স্যান্ডগেটে ওঠেন আরতি।

পরবর্তীকালে এক সাক্ষাৎারে আরতি জানিয়েছিলেন, ভারতীয় সাঁতারু মিহির সেন হলেন তাঁর অনুপ্রেরণা। ১৯৫২ সালের ফিনল্যান্ডের হেলসিঙ্কিতে বসেছিল গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক। সেখানে স্বাধীন ভারতের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য যে প্রথম টিম গিয়েছিল, তার কণিষ্ঠ সদস্য ছিলেন বছর ১১-র আরতি সাহা। সেই সময় অলিম্পিকের আসরে ছিলেন মাত্র চারজন মহিলা। যাঁর একজন হলেন আরতি। ১৯৪৯ সালে অল-ইন্ডিয়া রেকর্ড গড়েন আরতি সাহা। এবং ১৯৫১ সালে পশ্চিবঙ্গ রাজ্য মিটে ডলি নাজিরের অল-ইন্ডিয়া রেকর্ড ভাঙেন তিনি। ১৯৫৯ সালে তাঁর দীর্ঘ সময়ের ম্যানেজার অরুণ গুপ্তাকে বিয়ে করেন আরতি সাহা। এই কৃতিমান সাঁতারুর একমাত্র কন্যা অর্চনা রেলকর্মী ছিলেন। ১৯৯৯ সালে সাঁতারু আরতি সাহার সম্মানে পোস্টেজ স্ট্যাম্প তৈরি করে রেল। আরও পড়ুন-Suresh Angadi Dies: কেন্দ্রীয় রেল রাষ্ট্রমন্ত্রী সুরেশ অঙ্গাদির প্রয়াণে বৃহস্পতিবার অর্ধনমিত থাকবে রাজধানীর জাতীয় পতাকা

কম্পাস নিয়ে সমুদ্রে সাঁতরে চলেছেন আরতি সাহা। ইংলিশ চ্যানেলে তাঁর যাত্রাপথকে সূচিত করতেই আজ ডুডল এমন ছবি শেয়ার করেছে। কলকাতার শিল্পী লাবণ্য নায়ডু এই ডুডলটি তৈরি করেছেন। কলকাতার নামী পরিবারের সদস্য ছিলেন আরতি সাহা। লাবন্য নায়ডু নিজেই এই তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমাদের দেশের ইতিহাসে আমি আশাকরি কোনও মহিলা ব্যক্তিত্বের জন্য উদযাপন একটা মানবিক দিককে নির্দেশ করে। আমি আশা করি এমন মহিলারাই যে কারোর বৃহৎ স্বপ্নের অনুপ্রেরণা হতে পারেন। তিনি কোথা থেকে আসছেন তা কিন্তু এক্ষেত্রে খুব একটা উল্লেখযোগ্য বিষয় নয়।”