Article 370 move: উপত্যকার প্রশাসনিক ক্ষেত্রে নাক গলাবে না সুপ্রিম কোর্ট, কেন্দ্রকে সময় দিতে হবে
Supreme Court of India | File Image | (Photo Credits: PTI)

দিল্লি, ১৩ আগস্ট: ৩৭০ ধারা (Article 370) বিলোপকে কেন্দ্র করে কোনওরকম অশান্তি এড়াতে উপত্যকায় একটানা কার্ফিউ জারি রয়েছে। ফোন, ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রয়েছে। এই সমস্ত স্বাভাবিক করার দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন সমাজকর্মী তেহসিন পুণাওয়ালা। দেশের শীর্ষ আদালতে এদিনের শুনানিতে জানিয়ে দিয়েছে, এখনই জম্মু ও কাশ্মীরের (J&K)প্রশাসনিক বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা যাবে না। বিষয়টি আরও কিছুদিন দেখতে হবে, সবকিছু স্বাভাবিক হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কেন্দ্রীয় সরকারকেও এই বিষয়ে সময় দিতে হবে। এই মামলায় সাত তাড়াতড়ি রায় না দিয়ে দু সপ্তাহ পর শুনানির দিন ধার্য করেছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। আরও পড়ুন-বিমান চাই না কাশ্মীরকে একবার ‘চাক্ষুষ’ করতে চাই, রাজ্যপালের আমন্ত্রণ গ্রহণ করলেন রাহুল গান্ধী

গত ৫ অগস্ট জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে কেন্দ্রীয় সরকার। লাদাখ এবং জম্মু-কাশ্মীর, দু’টি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই থেকে উপত্যকার পরিস্থিতি থমথমে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বিশাল বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে সেখানে। বন্দি করা হয়েছে উপত্যকার দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি এবং ওমর আবদুল্লাকে। আটক করা হয়েছে আরও বহু রাজনীতিক এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাকে। আবেদনে মেহবুবা এবং ওমরকে আটক করার সিদ্ধান্তকেও চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন তেহসিন পুণাওয়ালা (Tehseen Poonawalla)। শুনানি চলাকালীন এ দিন আদালতে কেন্দ্রীয় সরকারের হয়ে সওয়াল করছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল কেকে বেণুগোপাল। তিনি বলেন, ‘‘২০১৬-র জুলাই মাসে হিজবুল মুজাহিদিন কমান্ডার বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর পরও একই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিলেন। সেইসময়ও ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সে বার ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এ বার এখনও পর্যন্ত কোনও প্রাণহানি ঘটেনি। খুব শীঘ্র পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশা আমাদের। আর তা হলেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে।’’ উপত্যকার পরিস্থিতির দিকে কেন্দ্রীয় সরকার সারাক্ষণ নজর রেখেছে বলেও আদালতে জানান তিনি।

মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি অরুণ মিশ্রর নেতৃত্বাধীন বিচারপতি এমআর শাহ এবং বিচারপতি অজয় রাস্তোগির ডিভিশন বেঞ্চে এ দিন আবেদনটির শুনানি চলছিল। সেইসময় বেঞ্চ বলে, ‘‘আমরাও চাই উপত্যকা ফের স্বাভাবিক হয়ে যাক। কিন্তু রাতারাতি কিছু হওয়া সম্ভব নয়। এই মুহূর্তে ওখানে কী হচ্ছে, কেউ তা জানে না। তাই সরকারের উপর ভরসা করা ছাড় উপায় নেই। এটা অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়।’’