Work From Tree: গ্রামে নেটওয়ার্ক নেই, গাছে চড়ে লকডাউনের বাজারে অনলাইন ক্লাস নিচ্ছেন শিক্ষক
লকডাউনের জেরে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে অনেকটাই পরিবর্তন এসেছে। অফিস, কাছারি, যানবাহন, স্কুল কলেজ সবই বন্ধ। লকডাউন ঘোষণা হতেই যে যার কর্মক্ষেত্র থেকে বাড়িতে ফিরেছেন। এদিকে সরকারি নির্দেশে অনেকেই ওয়ার্ক ফ্রম হোম করছেন। কিন্তু সবক্ষেত্রে তো তা সম্ভব নয়। তবে সার্কুলেশন জারি হওয়ায় পড়ুয়াদেরনিয়ে অনলাইন ক্লাস করাতে হচ্ছে শিক্ষকদের। এদিকে গ্রামে যেসব শিক্ষকদের বাড়ি তাঁরা কী করবেন? কেননা সব জায়গায় তো ইন্টারনেটের সমান নেটওয়ার্ক পাওয়া যাবে না। সেই অসম্ভবকে সম্ভব করলেন বাঁকুড়ার শিক্ষক সুব্রত পাতি (Subrato Pati)। লকডাউনের জেরে তিনিও গ্রামের বাড়িতে ফিরেছেন। কলকাতা থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরের সেই বাড়িতে মোবাইলের নেটওয়ার্ক থাকে না। এমনকী গোটা গ্রামেও নেই।
বাঁকুড়া, ২৩ এপ্রিল: লকডাউনের জেরে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে অনেকটাই পরিবর্তন এসেছে। অফিস, কাছারি, যানবাহন, স্কুল কলেজ সবই বন্ধ। লকডাউন ঘোষণা হতেই যে যার কর্মক্ষেত্র থেকে বাড়িতে ফিরেছেন। এদিকে সরকারি নির্দেশে অনেকেই ওয়ার্ক ফ্রম হোম করছেন। কিন্তু সবক্ষেত্রে তো তা সম্ভব নয়। তবে সার্কুলেশন জারি হওয়ায় পড়ুয়াদেরনিয়ে অনলাইন ক্লাস করাতে হচ্ছে শিক্ষকদের। এদিকে গ্রামে যেসব শিক্ষকদের বাড়ি তাঁরা কী করবেন? কেননা সব জায়গায় তো ইন্টারনেটের সমান নেটওয়ার্ক পাওয়া যাবে না। সেই অসম্ভবকে সম্ভব করলেন বাঁকুড়ার শিক্ষক সুব্রত পাতি (Subrato Pati)। লকডাউনের জেরে তিনিও গ্রামের বাড়িতে ফিরেছেন। কলকাতা থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরের সেই বাড়িতে মোবাইলের নেটওয়ার্ক থাকে না। এমনকী গোটা গ্রামেও নেই।
তাই পড়ুয়াদের ক্লাস নিতে গ্রামের বাইরে গাছে চড়েছেন সুব্রত পাতি। গাছ থেকেই ঠিকঠাক নেটওয়ার্ক মেলে। ইন্টারনেটেরও কোনও সমস্যা হয় না। তাই প্রতিদিন খাবার ও জল সঙ্গে নিয়ে গাছেই চড়ে বসেন ওই শিক্ষক সকাল সাড়ে নটা থেকে সন্ধ্যা ছটা পর্যন্ত গাছে চড়েই পড়ুয়াদের অনলাইন ক্লাস নেন তিনি। এভাবেই ওয়ার্ক ফ্রম হোমকে ওয়ার্ক ফ্রম ট্রি-তে বদলে নিয়েছেন ওই শিক্ষক। আরও পড়ুন- Pinarayi Vijayan: করোনাত্রস্ত কেরালায় আর্থিক সংকট কাটাতে ১ বছর ধরে সরকারি কর্মীদের বেতনের ৩০ শতাংশ কাটবে সরকার
West Bengal:Subrato Pati,a teacher from a village in Bankura has set up his workspace on a tree,so that he can take online classes without network disruptions."We don't get network signals everywhere in our village.I take different classes from 9:30 am to 6:00 pm",he said.(22.04) pic.twitter.com/5EdxEYlaMc
— ANI (@ANI) April 23, 2020
সংবাদপত্র দৈনিক ভাস্করের তথ্যানুসারে সুব্রত গাছের মাথাতেই চড়ে ক্লাস নেন, কারণ সেখানে ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক ভাল মেলে। লকডাউনের বাজারে গাছই তাঁর কর্মক্ষেত্র।
(The above story first appeared on LatestLY on Apr 23, 2020 09:22 AM IST. For more news and updates on politics, world, sports, entertainment and lifestyle, log on to our website latestly.com).

