Kiran Bedi: 'সূর্য থেকে শোনা যায় ওম', ফেক ভিডিয়ো পোস্ট করে ট্রোলড কিরণ বেদী
অ্যামেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার একটি পুরোনো ভিডিয়ো টুইটারে পোস্ট করে ট্রোলন হলেন পুদুচেরির লেফটেন্যান্ট গভর্নর এবং প্রাক্তন আইপিএস কিরণ বেদী (Kiran Bedi )। ভিডিওতে নাসা সূর্যের (Sun) আওয়াজ রেকর্ড করেছে। সেই ভিডিও পোস্ট করে কিরণ বেদী দাবি করেন, সূর্য থেকে ‘ওম’ ((Om) ধ্বনি শোনা যায় এবং ‘NASA-র তরফে তা রেকর্ড’ও করা হয়েছে। ভিডিয়োটি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গেছে। ওই পোস্টকে হাতিয়ার করে পুদুচেরির উপ-রাজ্যপালকে ট্রোল করেন নেটিজেনরা।
পুদুচেরি, ৪ জানুয়ারি: অ্যামেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার একটি পুরোনো ভিডিয়ো টুইটারে পোস্ট করে ট্রোলন হলেন পুদুচেরির লেফটেন্যান্ট গভর্নর এবং প্রাক্তন আইপিএস কিরণ বেদী (Kiran Bedi )। ভিডিওতে নাসা সূর্যের (Sun) আওয়াজ রেকর্ড করেছে। সেই ভিডিও পোস্ট করে কিরণ বেদী দাবি করেন, সূর্য থেকে ‘ওম’ ((Om) ধ্বনি শোনা যায় এবং ‘NASA-র তরফে তা রেকর্ড’ও করা হয়েছে। ভিডিয়োটি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গেছে। ওই পোস্টকে হাতিয়ার করে পুদুচেরির উপ-রাজ্যপালকে ট্রোল করেন নেটিজেনরা।
২০১৮ সালের জুলাই মাসে নাসা সূর্যের শব্দ প্রকাশ করেছিল। বেদী আজ সকালে ১ মিনিট ৫০ সেকেন্ড দীর্ঘ একটি ভিডিয়ো টুইটারে শেয়ার করেন। যাতে লেখা আছে, "নাসা রেকর্ডড সাউন্ড অফ সান, সান চ্যান্টস ওম।" খুব শীঘ্রই, নেটিজেনরা এখানে ট্রোলিং শুরু করে। নাসার তরফে প্রকাশ করা ভিডিয়োটি আসলে সূর্যের গুণ গুণ শব্দ। আর কিরণ বেদীর পোস্ট করা ভিডিয়োটি এডিট করা। যা থেকে 'ওম' শোনা যাচ্ছে। আরও পড়ুন: Bollywood Singer Anuradha Paudwal: ‘গায়িকা অনুরাধা পড়োয়াল আমার মা’, কেন একথা বললেন কেরালার কারমালা?
— Kiran Bedi (@thekiranbedi) January 4, 2020
The Mars Rover in my kitchen , this morning!! https://t.co/Csc48kXBEB pic.twitter.com/RaMlXxoHqe
— Mini Nair (@minicnair) January 4, 2020
Wrong. The Sun said NaMo NaMo.
You should’ve checked the UNESCO version along with the NASA version. https://t.co/FrolGOX9DP
— Saket Gokhale (@SaketGokhale) January 4, 2020
ওই পোস্টকে হাতিয়ার করে পুদুচেরির উপ-রাজ্যপালকে ট্রোল করেন নেটিজেনরা। মার্কিন গবেষণা সংস্থা (NASA)-র তরফে সূর্যের 'শব্দ' সম্পর্কিত আসল ভিডিয়ো প্রকাশ করেন কয়েকজন টুইটার ইউজার। যেখানে সূর্য থেকে উৎপত্তি হওয়া শব্দ (ভাইব্রেশন) শোনা যায়। তারাদের শব্দ নিয়ে গবেষণায় জ্যোতির্বিজ্ঞানী বিল চ্যাপলিন জানিয়েছিলেন, একটি তারা যে শব্দ করে, তার উৎপত্তি হয় একেবারে বাইরের স্তর থেকে। এই শব্দই আটকে পড়ে এক ধরনের অনুরণন সৃষ্টি করে। ঠিক বাদ্যযন্ত্রের মতোই। যেহেতু সূর্যও একটি তারা, এর থেকেও একইভাবে শব্দের উৎপত্তি হয়।
(The above story first appeared on LatestLY on Jan 04, 2020 06:50 PM IST. For more news and updates on politics, world, sports, entertainment and lifestyle, log on to our website latestly.com).

