Navratri 2022: নবরাত্রির নবম দিনে পূজিত হন সিদ্ধিদাত্রী,সিদ্ধিদাত্রীর আশীর্বাদেই অর্ধনারীশ্বর রূপ লাভ করেন মহাদেব |

নবরাত্রির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিনটি হল নবমী। এই দিনে, দেবী তাঁর সিদ্ধিদাত্রী রুপে পূজিত হন। কথিত আছে যে, যাঁরা খাঁটি মনের এবং নিষ্ঠার সাথে তাঁর কাছে প্রার্থনা করেন, দেবী সিদ্ধিদাত্রী তাঁর ভক্তদের জন্য সিদ্ধিকে দান করেন।

দেবী সিদ্ধিদাত্রী হলেন সিদ্ধিদের দেবী। সিংহবাহিনী দেবী চতুর্ভূজা, নীচের ডান হাতে একটি চক্র এবং উপরের ডান হাতে একটি গদা ধারণ করেন। নীচের বাম হাতে তিনি একটি শঙ্খ এবং উপরের হাতে, তিনি একটি পদ্ম ধারণ করেন।

ভগবত্‍ পুরাণে আছে, স্বয়ং মহাদেব দেবী দুর্গাকে সিদ্ধিদাত্রী রূপে পুজো করেছিলেন। এবং তার ফলে মহাদেব সকল সিদ্ধি লাভ করেন। সিদ্ধিদাত্রীর আশীর্বাদেই অর্ধনারীশ্বর রূপ লাভ করেন মহাদেব |

নবরাত্রির নবমীর দিনের পুজো, পুজোর বাকি দিনগুলির চেয়ে পৃথক। কন্যা পূজন বা কঞ্জক পূজা নবমী বা নবরাত্রির মহা নবমীতে করা হয়।

বিভিন্ন শাস্ত্রে বিভিন্ন সিদ্ধির কথা উল্লেখিত আছে। তবে, অষ্টসিদ্ধির মার্কণ্ডেয় পুরাণ অনুসারে, 'সিদ্ধিদাত্রী' অষ্টভুজা, ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণের শ্রীকৃষ্ণ জন্ম খণ্ডে 'সিদ্ধিদাত্রী' অষ্টাদশভুজা। 'সিদ্ধিদাত্রী' চতুর্ভুজা রূপেও দেখা যায়। সেখানে তিনি অর্ধনারীশ্বররূপী। অষ্টসিদ্ধি বা আটটি সিদ্ধি হল- অনিমা, মহিমা, গরিমা, লঘিমা, প্রাপ্তি, প্রকাম্য, ঈশিত্ব ও বশিত্ব। দেবী সিদ্ধিদাত্রী এই সমস্ত সিদ্ধি পরিচালনা করেন এবং যে ব্যক্তি এই দিনে দেবীকে স্মরণ করেন সে এই সমস্ত ক্ষমতা অর্জন করেন। অনেক সাধক আছেন যাঁরা ভগবৎ শক্তির আরাধনা করেন এই সব যোগসিদ্ধির জন্যই। দেবী সন্তুষ্ট হলে সাধক এই সকল সিদ্ধি ও নিধির ধারক হয়ে ওঠেন। জগতের কোনও কিছুই তখন তার পক্ষে আর অসম্ভব থাকে না।