দেরাদুন, ২৭ মে: বিশ্বজুড়ে চলছে করোনাভাইরাস প্রতিরোধের লড়াই। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে লণ্ডভণ্ড বাংলা, পঙ্গপালের হানা ও তীব্র গরমের দাবদাহে জ্বলছে উত্তর ও মধ্য ভারত। অসমে বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতি, এরই মধ্যে উত্তরাখণ্ডের দাবানলে (Uttarakhand Forest Fire), পরিস্থিতি আরও দুঃখজনক হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ৪ দিন ধরে দাউ দাউ করে জ্বলছে উত্তরাখণ্ডের বনাঞ্চল। আগুনের তীব্রতায় চড়ছে পারদ। রাজ্যে ৪৫ টিরও বেশি বন আগুনের গ্রাসে। ৭১ হেক্টরেরও বেশি বনভূমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রশ্নের মুখে বন্যপ্রাণী প্রজাতিদের প্রাণ।
শুধুমাত্র কুমায়ুন অঞ্চলে কমপক্ষে ২১ টি বন আগুনের গ্রাসে এবং গড়ওয়াল অঞ্চলে ১৬ টি বনে তীব্র আগুন জ্বলছে। সংরক্ষিত বন অরণ্য অঞ্চলে নয়টি জায়াগায় দাবানলের ঘটনা ঘটেছে। এখনও পর্যন্ত জানা গেছে, দাবানলের কারণে দু'জন প্রাণ হারিয়েছেন, একজন আহত হয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া দাবানলের ছবি আতঙ্ক আরও বাড়াচ্ছে। আরও পড়ুন, লাদাখে চিনা আগ্রাসনে তৎপর কেন্দ্র সরকার, অজিত দোভাল ও ৩ বাহিনীর প্রধানের সঙ্গে জরুরি বৈঠক নরেন্দ্র মোদির
Someday, the whole Mother Nature will be no more. Amazon fire, Australian bushfire, and now Uttarakhand's forest fire. Loss of flaura and fauna has been reported.
It's time to adopt the pace of Nature now.#UttarakhandForestFire #uttarakhandfire pic.twitter.com/mGYlyfVBum
— Ashmita Bhowal (@AshmitaBhowal) May 26, 2020
The fire broke out in Uttarakhand forest. 46 wildfire incidents in 2020. More than half of birds species & wildlife are in danger. Our Uttarakhand is burning for the last 4 days. 2020 is getting worst. 😟#Uttarakhand #UttarakhandForestFire #wildlife pic.twitter.com/HuZZ7z3zyW
— Suman Bisht (@pahadi_suman) May 26, 2020
Please go through the graph below, do not fall prey to misinformation. Forest fires have come down a lot this season. Partly due to less anthropogenic activity and partly due to rains. Go through this news item as well...https://t.co/ozCDqG2Lej pic.twitter.com/yjAp4K0lpe
— PIB in Uttarakhand (@PIBDehradun) May 26, 2020
তবে পিআইবি উত্তরাখণ্ডের যে গ্রাফটি শেয়ার করেছে, তার থেকে জানা যাচ্ছে গত বছরের তুলনায় এই বছর দাবানলের ঘটনা কমেছে। তথ্য অনুসারে, দাবানলের কারণে এই বছর ৭১.৪৬ হেক্টর জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যেখানে গত বছর একই সময়ে ১৫৯০ হেক্টর জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো একটি টুইট বার্তায় মানুষকে "ভুল তথ্য দেওয়ার শিকার" না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, এবছর বনে আগুনের পরিমাণ অনেক কমেছে। আংশিক নৃতাত্ত্বিক কার্যকলাপের কারণে এবং আংশিক বৃষ্টিপাতের কারণে এবছর ক্ষতির পরিমাণ কমই।