Coronavirus Cases In India: দিল্লিতে বাড়ছে সংক্রমণ, শুক্রবার ভারতে করোনার পরিসংখ্যান ছাড়ালো ৯০ লাখ
ভারতে করোনা (Photo Credits: PTI)

নতুন দিল্লি, ২০ নভেম্বর:  বৃহস্পতিবার সারাদিনে ৪৫ হাজার ৮৮২ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হলেন (Coronavirus Cases In India)। সঙ্গে সঙ্গে ভারতে কোভিডের পরিসংখ্যান ছাড়িয়ে গেল ৯০ লাখ। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এখন ৯০ লাখ ৪ হাজার ৩৬৬। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনার বলি ৫৮৪ জন। এই পর্যন্ত করোনার মৃত্যু মিছিলে শামিল ১ লাখ ৩২ হাজার ১৬২ জন। মোট অ্যাকটিভ কেস ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৭৬৪টি। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৯১টি অ্যাকটিভ কেস বেড়েছে। হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরেছেন ৮৪ লাখ ২৮ হাজার ৪১০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় হাস পাতাল থেকে বাড়িতে ফিরেছেন ৪৪ হাজার ৮০৭ জন।

ভারতে ৫০ হাজারের কমে দৈনিক সংক্রমণ আজকে নিয়ে ১৩ দিনে পড়ল। গত ৭ নভেম্বর পর্যন্ত ভারতে প্রতিদিন ৫০ হাজার করে নতুন করোনা আক্রান্তের সন্ধান মিলছিল। এই মুহূর্তে দেশে ভয়াবহ সংক্রমণের মধ্যে দিয়ে চলেছে রাজধানী। সেখানে প্রতিদিন হু হু করে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। দিল্লিতে এভাবে সংক্রমণ বাড়তে থাকায় অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকারকে তুলোধনা করেছে হাইকোর্ট। এরপরেই নড়েচড়ে বসেছে দিল্লির সরকার। আগে কেউ কোভিড সংক্রান্ত প্রোটোকল ভাঙলে যে শাস্তি পেতেন তার থেকে কড়া হচ্ছে শাস্তি। রাজধানীতে মাস্ক না পরলে ৫০০ টাকা জরিমানা হত। এবার থেকে আইন ভঙ্গকারীদের শাস্তি স্বরূপ দিতে হবে ২ হাজার টাকা জরিমানা। ২০২১-র ফেব্রুয়ারির মধ্যে দেশের সমস্ত স্বাস্থ্যকর্মী ও বয়স্ক নাগরিককে অক্সফোর্ডের করোনা ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। প্রতিষেধকের প্রস্তুতকর্তা তথা সেরাম ইনস্টিটিউটের প্রধান আদর পুনাওয়ালা বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা করেন। তিনি আরও জানান, আগামী বছর এপ্রিলে দেশের অন্যান্য নাগরিকদের কাছে পৌঁছে যাবে করোনার প্রতিষেধক। প্রত্যেককেই প্রতিষেধকের দুটি ডোজ নিতে হবে। যার মূল্য পড়ছে হাজার টাকা। অর্থাৎ হাজার টাকার বিনিময়ে করোনার প্রতিষেধক নিতে হবে। মূলত প্রতিষেধকের চূড়ান্ত পরীক্ষামূলক প্রয়োগের ফলাফল এলেই শুরু হবে এই প্রক্রিয়া। মনে করা হচ্ছে আগামী ২০২৪-এর মধ্যে প্রত্যেক ভারতীয়র কাছে পৌঁছে যাবে এই করোনা ভ্যাকসিন। আরও পড়ুন-Donald Trump: চরম দায়িত্বজ্ঞান হীনতার পরিচয় দিচ্ছেন ট্রাম্প, কেন বললেন বিডেন?

এদিকে শুক্রবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে। ভাইরাসের যম ওষুধ রেমডিসেভির কোভিড-১৯ রোগীর সুস্থতায় কাজে আসছে না। সেই রোগীর অবস্থা যতই আশঙ্কাজনক হোক না কেন তাঁকে বাঁচাতে কোনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে না এই রেমডিসেভির।