Tiger At Bronx Zoo In US Tests Positive: বাঘিনীর শরীরে করোনাভাইরাস, মার্কিন মুলুকের চিড়িয়াখানায় নয়া আতঙ্ক
বাঘের প্রতীকী ছবি(Photo Credits: Wikimedia Commons)

নিউইয়র্ক, ৬ এপ্রিল: মহামারী করোনার গ্রাসে বিশ্ব। প্রতিমুহূর্তে হু হু করে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। দিন যত এগোচ্ছে ততই চওড়া হচ্ছে মৃত্যুমিছিল। আশঙ্কার দোলাচালে প্রত্যেকে। কে যে আছেন আর কে যে নেই তানিয় ভাবতেই ভয় করছে সবার। এক অদৃশ্য ভাইরাসের কবলে তাবড় তাবড় দেশ। লকডাউন, কোয়ারেন্টাইন আসলে খুব বড় পথ আটকাতে পারছে না। এবার মানব শরীর থেকে পশুর শরীরে বাসা বাঁধল কোভিড ১৯ পজিটিভ। করোনাভাইরাসের জীবাণু মিলল মার্কিন মুলুকের চিড়িয়াখানার বাঘের (Tiger) গায়ে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নিউয়র্কের ব্রংস চিড়িয়াখানায়। সেখানেই রয়েছে বছর চারেকের বাঘিনী মালায়ান। তার শরীরেই বাসা বেঁধেছে মারণ ভাইরাস। মার্কিন মুলুকের কৃষি ও পশু চিকিৎসা সংস্থার গবেষণাগারে মালায়ানের লালারসের পরীক্ষা হয়েছে। সেখানেই প্রথম জানতে পারা গিয়েছে যে সে কোভিড-১৯ পজিটিভ।

মনে করা হচ্ছে. চিড়িয়াখানার কোনও কর্মীর শরীরেই করোনাভাইরাস বাসা বেঁধেছিল। সেখান থেকেই বাঘিনীকে সংক্রামিত করেছে। চিড়িয়াখানার তরফে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ১৬ মার্চ থেকে ব্রংস চিড়িয়াখানা জনগমের জন্য বন্ধ হয়েছে। কর্মীর লালারসের নমুনা পরীক্ষার পর একে একে মালায়ান ও তার বোন আজুল, আরও দুই সঙ্গী বাঘ এবং তিনটি আফ্রিকান সিংহের শরীরের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। কারণ এই পশুদের প্রত্যেকেই শুকনো কাশির সমস্যায় ভুগছিল। তবে চিড়িয়াখানার অন্য পশুপাখিদের মধ্যে করোনার উপসর্গ এখনও মেলেনি বলে জানা গিয়েছে। আক্রান্তরা একেবারেই খেতে চাইছে না। তবে বাঘের দল পশুচিকিৎসার আওতায় থাকায় একটু ভাল আছে। তাঁদের দেখভাল যিনি করেন, তাঁর ডাকে সাড়াও দিচ্ছে। আরও পড়ুন- UK PM Admitted To Hospital: ১০ দিন কোয়ারেন্টাইনের পর ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের শরীরে কোভিড-১৯ পজিটিভ, ভর্তি হলেন হাসপাতালে

ইউএসডিএ-র তরফে জানানো হয়েছে, এখনও বোঝা যাচ্ছে না কীকরে বাঘের শরীরে গেল করোনার জীবাণু। কেননা নভেল করোনায় আক্রান্ত হলে বিভিন্ন পশুদের শরীরে বিবিধ উপসর্গ দেখা দেবে। তবে আমরা তাদের উপরে সর্বদা নজর রেকেছি এবং আশা করছি খুব শিগগির এই মারণ ভাইরাসের কবল থেকে তাদের বাঁচিয়ে আনব। যাঁরা করোনায় আক্রান্ত তাঁরা এই পশুদের থেকে দূরেই থাকুন। বাড়িতে পোষ্য থাকলে অবশ্যই এই পরামর্শ মেনে চলুন, যতক্ষণ না কোভিড-১৯ নিয়ে আরও তথ্য জানা জানা যাচ্ছে।