New Year 2025 Wellness Routine: নতুন বছরে ক্যান্সারের আক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি! জেনে নিন এবিষয়ে বিস্তারিত...

New Year 2025 Wellness Routine: নতুন বছরে ক্যান্সারের আক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি! জেনে নিন এবিষয়ে বিস্তারিত...

নববর্ষ উপলক্ষে অবশ্যই নিজেদের কাছে সকলেই কিছু প্রতিশ্রুতি দেন। ২০২৫ সালে লাইফস্টাইল সম্পর্কে করা রেজোলিউশন জীবনের জন্য একটি বুস্টার ডোজ হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে। এই রেজোলিউশন ক্যান্সারের মতো মারাত্মক রোগের আঘাত থেকে রক্ষা করতে পারে। জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন স্বাস্থ্যের জন্য আশীর্বাদ হতে পারে। ডব্লিউএইচও এবং আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির মতে, ভালো জীবনধারা অবলম্বন করে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। ভালো জীবনধারা অনেক সময় ক্যান্সারের বৃদ্ধি রোধ করতে পারে। এক প্রতিবেদন অনুসারে, বিশ্বে প্রতি বছর ১৯ মিলিয়ন ক্যান্সারের ঘটনা ঘটে এবং ক্যান্সারের ক্ষেত্রে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। বিশেষজ্ঞদের মতেও ক্যান্সার এড়ানোর জন্য জীবনধারা সংশোধন করা খুবই জরুরি।

বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার থেকে যে কাউকে রক্ষা করতে পারে এই ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে সবার প্রথমে রয়েছে ডায়েট। এছাড়াও স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার জন্য কিছু অভ্যাস ত্যাগ করা যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সুষম খাদ্য, নিয়মিত ব্যায়াম, কম তামাক সেবন, অ্যালকোহল এবং ধূমপান ত্যাগ করার মাধ্যমে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। বিশেষজ্ঞদের মতে, জীবনধারা উন্নত করার জন্য ভালো খাদ্য প্রয়োজনীয়। ভালো খাদ্য অর্থাৎ ফল, সবজি এবং গোটা শস্য সমৃদ্ধ খাদ্য। এই ধরনের খাবারে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং মিনারেল থাকে যা কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। খুব বেশি প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং লাল মাংস খাওয়া উচিত নয়। প্রক্রিয়াজাত মাংস এবং লাল মাংসের অতিরিক্ত ব্যবহার কোলোরেক্টাল ও অন্যান্য ক্যান্সারের সঙ্গে যুক্ত। উদ্ভিদ-ভিত্তিক খাদ্য আইটেম এবং চর্বিহীন প্রোটিন উৎসগুলি খাদ্যতালিকায় যুক্ত করা উপকারী।

ক্যান্সার বিশেষজ্ঞদের মতে, ওজন নিয়ন্ত্রণ করাও জরুরি। অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা স্তন, কোলোরেক্টাল এবং কিডনি ক্যান্সার সহ অনেক ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। সুষম খাদ্য এবং ব্যায়ামের মাধ্যমে একটি স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রেখে এই ঝুঁকি কমানোর চেষ্টা করা উচিত। নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমেও ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত ব্যায়াম ওজন নিয়ন্ত্রণ করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় যা ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে ১৫০ মিনিট হালকা ব্যায়াম করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা উচিত। উপরন্তু, প্রতিদিনের শারীরিক ক্রিয়াকলাপে সামান্য বৃদ্ধি যেমন হাঁটা, বাগান করা বা সিঁড়ি বেয়ে ওঠা সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

ধূমপান ক্যান্সারের প্রধান কারণ, বিশেষ করে ফুসফুসের ক্যান্সার। এটি মুখ, গলা, মূত্রথলি, অগ্ন্যাশয়, কিডনি এবং জরায়ুমুখের ক্যান্সারও ঘটায়। ধূমপান মুখ, গলা, মূত্রথলি, অগ্ন্যাশয়, কিডনি এবং মহিলাদের গর্ভের ক্ষতি করে। ধূমপান ত্যাগ করা এই ধরণের ক্যান্সারের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করে। একইরকম ভাবে অ্যালকোহল পান করার অভ্যাস ত্যাগ করলে লিভার, স্তন এবং কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব। ক্যান্সার বিশেষজ্ঞের অন্য মতামত অনুযায়ী, টিকা দেওয়ার বিষয়ে গুরুতর হওয়া উচিত। এছাড়াও বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ পরোক্ষভাবে ক্যান্সার বাড়ায়। এর জন্য ধ্যান করা, দীর্ঘ গভীর শ্বাস নেওয়া, যোগব্যায়াম করা এবং পর্যাপ্ত ঘুমকে জীবনধারার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ করে মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।

(The above story first appeared on LatestLY on Jan 01, 2025 02:45 PM IST. For more news and updates on politics, world, sports, entertainment and lifestyle, log on to our website latestly.com).