Credit: Pixabay

H5N1 বার্ড ফ্লু নীরবে প্রাণী থেকে ছড়িয়ে পড়েছে মানুষে। এক প্রতিবেদন অনুসারে, গবেষণায় দেখা গেছে যে পশুচিকিৎসকদের কোনও লক্ষণ ছিল না, তাই তারা চিকিৎসা প্রদান করেননি। বিপরীতে পোল্ট্রি কর্মীদের মধ্যে লক্ষণ দেখা গিয়েছিলেন। আমেরিকা ইতিমধ্যেই বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত এবং গত বছর এই সংক্রমণের ৬৮টি ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, গবেষণায় দেখা গেছে যে বার্ড ফ্লু আক্রান্তের প্রকৃত সংখ্যা সরকারি পরিসংখ্যানের চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের কথা অনুযায়ী কিছু লোক তাদের কাজের কারণে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে, কিন্তু তাদের মধ্যে রোগের কোনও লক্ষণ দেখা দিচ্ছে না, তাই তারা চিকিৎসকের কাছে যাচ্ছে না। গবেষকদের মতে, শুধুমাত্র চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে বার্ড ফ্লুর বিস্তার সম্পূর্ণরূপে বোঝা কঠিন। এই গবেষণার জন্য, বিজ্ঞানীরা আমেরিকার ৪৬টি রাজ্যের ১৫০ জন পশুচিকিৎসকের রক্ত পরীক্ষা করেছেন। তাদের কারোরই চোখ লাল বা অন্যান্য সাধারণ লক্ষণ ছিল না, তবে পরীক্ষায় দেখা গেছে যে ২ থেকে ৩ শতাংশ পশুচিকিৎসকের H5N1 ভাইরাসের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি ছিল।

পূর্ববর্তী গবেষণাতেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল যে কিছু দুগ্ধ খামার কর্মীর মধ্যে বার্ড ফ্লুর লক্ষণ ছিল, কিন্তু তাদের সঠিকভাবে পরীক্ষা করা হয়নি। এই গবেষণাগুলি ছোট পরিসরে পরিচালিত হয়েছিল, তাই বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত মানুষের সঠিক সংখ্যা অনুমান করা কঠিন। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন যে এই সংখ্যা শত শত বা হাজার হাজার হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মুহূর্তে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই, তবে যদি ভাইরাসটি পরিবর্তিত হয় বা নতুন কোনও মিউটেশন ঘটে, তাহলে এটি গুরুতর অসুস্থতার কারণ হতে পারে এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। বিশেষজ্ঞ এবং গবেষকদের মতে, এই দিকে নজর রাখা গুরুত্বপূর্ণ।