নয়াদিল্লিঃ বেঁচে থাকতে বহু মানুষকে ছায়া দিয়েছেন। ঘর দিয়েছেন পথে থাকা সারমেয়দের। আবার কেরিয়ার গড়ে দিয়েছেন বহু যুবক যুবতীর। এক কথায় দানশীলতার সঙ্গে একসূত্রে গাঁথা স্বনামধন্য শিল্পপতি রতন টাটার নাম(Ratan Tata)। শুধুই ব্যবসা নয়, পাশাপাশি মানবসেবাকেও জীবনের মূলমন্ত্র হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন তিনি। ২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর প্রয়াত হন টাটা গ্রুপের প্রাক্তন চেয়ারম্যান রতন টাটা। তাঁর মৃত্যুর পরই, শোনা গিয়েছিল বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি জনকল্যাণমূলক কাজে উৎসর্গ করেছেন। তবে উইল থেকে বাদ পড়েননি তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব, পরিবার এমনকী আদরের পোষ্যরা। শোনা যাচ্ছে, ৩,৮০০ কোটি টাকার সম্পত্তির বড় অংশ রতন টাটা এনডাওমেন্ট ফাউন্ডেশন (আরটিইএফ) এবং রতন টাটা এনডাওমেন্ট ট্রাস্ট (আরটিইটি)-কে দিয়ে গিয়েছেন তিনি। উইল অনুযায়ী, টাটার সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশ পাচ্ছেন দুই সৎ বোন শিরিন জিজিভয় এবং ডিয়ানা জিজিভয়। তাঁর প্রিয় ছবি এবং ঘড়ির যে সম্ভার ছিল তাও তোলা রয়েছে বোনেদের জন্যই।
কীভাবে ভাগ হল রতন টাটার বিপুল সম্পত্তি?
এ ছাড়া টাটা সন্সের ৭০ শতাংশ শেয়ার পাবে আরটিইএফ। মূলত শিক্ষা, স্বাস্থ্য, গবেষণা ও সমাজকল্যাণে এই অর্থ ব্যয় করা হবে। বাকি শেয়ার পাবে আরটিইটি। জুহুর বাংলো রয়েছে টাটার সৎ ভাই জিমি নভল টাটার নামে। আলিবাগের বাড়ি পাবেন বন্ধু মেহলি মিস্ত্রি। রতন টাটার কাছে তিনটি পিস্তল ছিল। তাও পাচ্ছেন তিনিই। এ ছাড়া সম্পত্তির আর এক-তৃতীয়াংশ মোহিনী এম দত্তকে দিয়ে গিয়েছেন টাটা। টাটা গোষ্ঠীতে কর্মরত ছিলেন মোহিনী এম দত্ত। এখানেই শেষ নয়, প্রিয় পোষ্যদের জন্য রেখে গিয়েছেন ১২ লক্ষ টাকা। এই তহবিল থেকে প্রতি তিন মাসে ৩০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে পোষ্যদের দেখভালের জন্য। বাদ যাননি পরিচারিকা, পিওন এবং বাড়ির গাড়ি চালকেরাও। তাঁদের জন্য তুলে রাখা হয়েছে ৩.৫ কোটি টাকা। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি উইলে স্বাক্ষর করেছিলেন টাটা। এই উইলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, কেউ যদি এই উইল নিয়ে কোনও আইনি প্রশ্ন তোলে, তবে তিনি উত্তরাধিকারসূত্রে কোনও সম্পদ বা সুবিধা পাবেন না।
রতন টাটার ৩,৮০০ কোটির সম্পত্তির ভাগ পেলেন কারা?
Ratan Tata Will: Cook, car cleaner, secretary receive THIS much amounthttps://t.co/v4yBn8oA5W
— ET NOW (@ETNOWlive) April 2, 2025