World's 1st Coronavirus Vaccine: মানব শরীরে পরীক্ষামূলক প্রয়োগে সফল, বিশ্বের প্রথম করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কার রাশিয়ায়
প্রতীকী ছবি (Photo Credits: ANI)

মস্কো, ১৩ জুলাই: মানবদেহে করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের সফল পরীক্ষামূলক প্রয়োগ সম্পূর্ণ করে নজির গড়ল রাশিয়া (Russia)। সেখানকার সেচেনভ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের একটি দল এই সাফল্যে মুখ্য ভূমিকা নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যাঁদের শরীরে এই ভ্যাকসিন গিয়েছে সেই স্বেচ্ছাসেবকদের প্রথম দলটিকে আগামী বুধবার ছেড়ে দেওয়া হবে। এর পর দ্বিতীয় দলটিকে ছাড়া হবে ২০ জুলাই। এই তথ্য দিয়েছেন সেচেনভ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ‘ইনস্টিটিউট অফ ট্রান্সন্যাশনাল মেডিসিন অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি’র ডিরেক্টর ভাদিম তারাসোভ। এদিকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকেই বেশ কয়েক বার করোনাভাইরাসের টিকা ও ওষুধ আবিষ্কারের খবর সামনে এসেও শেষমেশ তা সঠিক নয় বলেই প্রকাশিত হয়েছে। আশার আলো জ্বলেও নিভেছে বারবার। তাই রাশিয়ার দাবি নিয়ে আশঙ্কা এখনই দূর হচ্ছে না।

এই প্রসঙ্গে সেচেনভ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ইনস্টটিউট অফ মেডিক্যাল প্যারাসাইটোলজি’, ‘ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ভেক্টর বর্ন ডিজিসেস’-এর ডিরেক্টর আলেকজান্দ্রা লুকাসেভ জানিয়েছেন, ট্রায়ালের শেষ পর্যায়ের মূল লক্ষ্য ছিল মানব শরীরে এই ভ্যাকসিন কতটা নিরাপদ তা খতিয়ে দেখা। সাফল্য মিলেছে। এই ভ্যাকসিনটি মানবদেহে সম্পূর্ণ নিরাপদ হিসেবে প্রতিপন্ন হয়েছে। রুশ স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে আগেই বলা হয়েছিল, দুই ধরনের ভ্যাকসিন (তরল ও পাউডার) তৈরি করেছে মস্কো। ৩৮ জন মানুষের দু’টি গ্রুপে দু’ধরনের ভ্যাকসিনের পরীক্ষা চালানো হবে। স্বেচ্ছাসেবীদের ওই দু’টি গ্রুপে সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তিরা রয়েছেন। তাঁদের ২১ দিন অন্তর দু’টি ডোজ দিয়ে মস্কোর দু’টি হাসপাতালে আইসোলেশনে রাখা হবে বলে খবর। আরও পড়ুন-Rajasthan Political Crisis: রাজস্থানে রাজনৈতিক সংকটে কংগ্রেস, মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের বৈঠকে এলেন না শচিন পাইলট ক্যাম্পের বিধায়করা

মহামারী করোনাভাইরাসের বারে বিপর্যস্ত গোটা বিশ্ব। প্রতিদিন হু হু করে সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। কাল কি পরিস্থিতি হবে আজ তা আন্দাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। ভারতের অবস্থাও দিন দিন বেহাল হচ্ছে। এই মুহূর্তে বিভিন্ন দেশ করোনা প্রতিরোধকারী ভ্যাকসিন আবিষ্কারে মগ্ন। বেশ কয়েকটি দেশে ভ্যাকসিন বেরিয়ে গেলেও তার সফলতা সন্দেহের ঊর্ধ্বে উঠতে পারেনি। তাই রাশিয়ার ভাক্যসিন আবিষ্কার নিয়েও দ্বন্দ্ব রয়েছে চিকিৎসক মহলে। তবে যদি ইতিবাচক কিছু ঘটে তাহলে তা মানবজাতির মঙ্গল ডেকে আনবে।