West Bengal: নতুন ডিজিটাল রেশন কার্ড ও ভুল সংশোধনের সময়সীমা প্রায় মাসখানেক বাড়াল রাজ্য
মমতা ব্য়ানার্জি। (Photo Credits: IANS/File)

ডেবরা(পশ্চিম মেদিনীপুর), ২৫ সেপ্টেম্বর : নতুন ডিজিটাল রেশন কার্ড (Digital Ration card) তৈরি ও রেশন কার্ডে ভুল সংশোধনের জন্য সময়সীমা বাড়াল রাজ্য সরকার। ৫ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত নতুন করে সময়সীমা বাড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি (Mamata Banerjee)। পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরায় (Debra) প্রশাসনিক বৈঠকে তিনি ঘোষণা করেন। গতকালই খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriyo Mullick) জানান, বিশেষ শিবিরের মাধ্যমে ডিজিটাল রেশন কার্ড তৈরি এবং সংশোধনের কর্মসূচির মেয়াদ বাড়ানো হবে। এমনিতে গত ৯ সেপ্টেম্বর থেকে কাজ চলছে ডিজিটাল রেশন কার্ডে সংশোধনীর। যা চলবে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

২৮ শনিবার তারিখ মহালয়া। তারপরের সপ্তাহ থেকেই পুজো শুরু। পুজোর পর ৫ নভেম্বর থেকে ফের শুরু হবে এই কর্মসূচি। গ্রামাঞ্চলে বিডিও (BDO) এবং শহরাঞ্চলে পৌরসভা (Municipality) এবং বরো অফিসে (borough office) সংশোধন চলছে ডিজিটাল রেশন কার্ডের। ছুটির দিন বাদে নির্দিষ্ট জায়গায় এই আবেদন জানানো যাচ্ছে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। একই সঙ্গে চলছে রাজ্যের খাদ্যসাথী প্রকল্পে (khadya sathi scheme) ডিজিটাল রেশন কার্ড তৈরির কাজ। কিন্তু সর্বত্রই উপচে পড়ছে ভিড়। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও আবেদন সম্পূর্ণ করতে পারছেন না অনেকেই। সে দিকে তাকিয়েই এই কর্মসূচির মেয়াদ বাড়াল রাজ্য। আরও পড়ুন : Delhi: NRC হলে মনোজ তিওয়ারিকেই প্রথমে দিল্লি ছাড়তে হবে: অরবিন্দ কেজরিওয়াল

প্রশাসনিক বৈঠক থেকে NRC ইস্যুতেও মুখ খোলেন মমতা ব্যানার্জি। ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে প্রশাসন ও দলীয় কর্মীরা যাতে সাধারণ মানুষকে সাহায্য করে সেই পরামর্শও দেন। তিনি বলেন,"ভোটার তালিকায় নামের ভেরিফিকেশন চলছে৷ যারা ভোটার অফিসার রয়েছেন তাঁরা অফিসে বসছেন না৷ আপনারা অফিসে বসুন৷ ভোটার তালিকায় মানুষকে নাম তুলতে সাহায্য করুন৷ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতিরা পাঁচদিন পঞ্চায়েতে বসুন৷ ২ দিন মানুষের কাছে যান৷ বিডিও, বিধায়করাও মানুষের কাছে যান।" রেশন ও ভোটার কার্ডে নাম তুলে দেওয়াকে কেন্দ্র করে জেলায় জাল এজেন্ট চক্র তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী৷ বিষয়টি পুলিশকে দেখার পরামর্শ দেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "রেশন কার্ড ও ভোটার কার্ড করার নামে জাল এজেন্ট তৈরি হয়েছে। নাম তোলার জন্য বা সংশোধনের জন্য টাকা নিচ্ছে। এটা বেআইনি। পুলিশ নজরে রাখুন। এজেন্টরা কোনও রাজনৈতিক দলের সদস্য নয়।"