Tallah Bridge Update: আগামী ৪-৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে টালা সেতু ভাঙার কাজ
টালা ব্রিজ (Photo Credits: Facebook)

কলকাতা, ১৫ ডিসেম্বর: সমস্ত রাখঢাক খুলে এবার টালা সেতু (Tallah Bridge) ভাঙার তারিখ প্রকাশ্যে জানাল রাজ্য সরকার। জানা গিয়েছে আগামী বছরের জানুয়ারিতেই শুরু হবে সংস্থারের কাজ। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ সম্ভবত ৪-৫ তারিখের মধ্যেই টালা সেতু ভাঙার কাজ শুরু হবে। গতকাল শনিবার রাজ্য পরিবহণ দফতরের আহ্বানে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বিশেষজ্ঞ কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। এদিনের ওই বৈঠকে পূর্ত, পুর ও নগরোন্নয়ন, রাজ্য পুলিশ, কেএমডিএ, রেল, কলকাতা পুলিশ, বিধাননগর পুলিশ, ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট এবং কলকাতা পুরসভার পদস্থ আধিকারিকেরা উপস্থিত ছিলেন। জানা গিয়েছে, সেতু ভাঙা এবং নতুন করে গড়ার যাবতীয় খরচ বহন করবে রাজ্যের পূর্ত দফতর।

সেতুটি ভাঙার সময়ে যান চলাচল কোন রাস্তা দিয়ে হবে তার একটি রূপরেখাও এদিন তৈরি করা হয়েছে। এ নিয়ে কলকাতা পুলিশের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। পুলিশ ও পরিবহণ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতা (Kolkata) থেকে উত্তরমুখী বাস এবং ছোট গাড়ি চিৎপুরের লকগেট উড়ালপুল ধরে বিটি রোডের দিকে যাবে। ওই উড়ালপুলে স্পিড লিমিট থাকবে ঘণ্টায় ৩০ কিলোমিটার। দক্ষিণমুখী বাস ও ছোট গাড়ি কলকাতায় ঢুকবে বেলগাছিয়া সেতু ধরে। বৈঠকে লরির যাতায়াত নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। লরি চলাচলের জন্য চিৎপুর রেল ইয়ার্ডের পাশে ৩০ ফুট চওড়া আলাদা রাস্তা তৈরি করা হবে। সেখান দিয়ে দু’দিকেই লরি চলাচল করবে। রেলের অনুমতি নিয়ে ওই রাস্তা তৈরি করবে পূর্ত দফতর। তার খরচও বহন করবে রাজ্য সরকার। টালা সেতু ভাঙতে হবে এই রিপোর্ট পাওয়ার পরেই দফায় দফায় পূর্ত দফতরের সঙ্গে বৈঠক হয় কলকাতা পুর প্রশাসনের। পুরসভা সূত্রের খবর, পলতা থেকে তিনটি বড় মাপের পাইপলাইন ঢুকেছে টালার জলাধারে। আর টালা থেকে বেরিয়ে পরিস্রুত পানীয় জলের সাতটি পাইপলাইনের মাধ্যমে শহরের বিভিন্ন স্থানে জল সরবরাহ হচ্ছে। সেতু ভাঙার সময়ে সেই সব পাইপলাইন যাতে সুরক্ষিত থাকে, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকার কথাও বলা হয়েছে বৈঠকে। আরও পড়ুন: Shantiniketan Poush Mela: ২৪ ডিসেম্বর থেকে শান্তিনিকেতনে পৌষমেলা, শুরু হবে তো?

আগামী পুরভোটের কথা মাথায় রেখে পানীয় জল (Drinking Water) সরবরাহে যাতে কোনওভাবেই বিঘ্ন না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। নতুন সেতুর পাশ দিয়েই জলের পরিষেবা করা হবে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে জল সরবরাহের পরিধি আরও বাড়বে। ফলে পলতা থেকে আসা পাইপের সংখ্যা এবং টালা থেকে পানীয় জল সরবরাহের লাইন আরও বাড়তে পারে।