Kidney Failure Symptoms: ক্লান্তি থেকে শুরু করে ফুলে যাওয়া পর্যন্ত, কিডনি ব্যর্থতার প্রাথমিক সতর্কতা লক্ষণ, কারণ এবং প্রতিরোধের পদ্ধতি জেনে নিন...
কিডনি ব্যর্থতা একটি গুরুতর অবস্থা, এটি তখন ঘটে যখন কিডনি সঠিকভাবে কাজ করার ক্ষমতা হারায়। রক্ত থেকে দূষিত পদার্থ অপসারণ ছাড়াও কিডনি জল পরিশোধন, ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিডনি যখন এই কাজ বন্ধ করে দেয়, তখন শরীরে ময়লা জমতে শুরু করে এবং শরীরে জল জমে, যার কারণে নানা ধরণের স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দেয়। কিডনি ব্যর্থতার কিছু ক্ষেত্রে হঠাৎ করেই বিকাশ ঘটে, আবার কিছু ক্ষেত্রে সময়ের সঙ্গে ধীরে ধীরে অগ্রগতি হয়। প্রাথমিক সতর্কতা লক্ষণগুলি সনাক্ত করা জীবন রক্ষাকারী হতে পারে, কারণ সময়মত হস্তক্ষেপ রোগের অগ্রগতি ধীর করতে পারে এবং জীবনের মান উন্নত করতে পারে।
কিডনি বিকল হওয়ার প্রাথমিক লক্ষণগুলির মধ্যে একটি হল অতিরিক্ত ক্লান্তি। কিডনি রক্ত থেকে বিষাক্ত পদার্থ অপসারণ করতে ব্যর্থ হয়, এর ফলে রক্তাল্পতা হতে পারে। এমন একটি অবস্থা যেখানে শরীরে অক্সিজেন বহন করার জন্য পর্যাপ্ত লোহিত রক্তকণিকা থাকে না, এর ফলে ক্রমাগত ক্লান্তি, দুর্বলতা এবং মনোযোগ দিতে অসুবিধা হয়। অনেকেরই রাতে ঘুম থেকে উঠে প্রস্রাব করার অভ্যাস থাকে। কিন্তু রাতে ঘন ঘন প্রস্রাব করার প্রয়োজন বোধ করলে এটি কিডনি সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। কিডনি সঠিকভাবে কাজ না করলে এমন হয়। এর জন্য শরীরের তরল সঠিকভাবে ফিল্টার হয় না এবং এটি প্রস্রাবের ফ্রিকোয়েন্সিকে প্রভাবিত করে। কিডনি বিকল হওয়ার কারণে শরীরে জলের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে, যার কারণে রাতে খুব তৃষ্ণার্ত বোধ হয়। রাতে বারবার জল পান করার অভ্যাস থাকলে এটি কিডনি সমস্যার লক্ষণ হতে পারে যা উপেক্ষা করা উচিত নয়।
কিডনির সমস্যার কারণে মূত্রনালীর সংক্রমণ বা প্রদাহ হতে পারে, যার কারণে প্রস্রাব করার সময় ব্যথা এবং জ্বালাপোড়া হতে পারে। এটি কিডনি সংক্রমণ বা অন্য কোনও গুরুতর সমস্যার লক্ষণ হতে পারে, যার জন্য তাৎক্ষণিক চিকিৎসা প্রয়োজন। প্রস্রাবে রক্ত কিডনিতে সংক্রমণ, পাথর বা অন্যান্য গুরুতর সমস্যা দেখা দিলে এটি কিডনি ব্যর্থতার লক্ষণ হতে পারে। প্রস্রাবে রক্ত দেখা গেলে, তা উপেক্ষা করা উচিত নয়। এটি একটি গুরুতর অবস্থা হতে পারে এবং অবিলম্বে একজন চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা এবং সঠিক চিকিৎসা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কিডনির সমস্যাও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। যখন কিডনি শরীর থেকে সঠিকভাবে বিষাক্ত পদার্থ অপসারণ করতে সক্ষম হয় না, তখন এটি শরীরে বিষাক্ততার সৃষ্টি করে, যার প্রভাব ঘুমের উপর পড়ে। ফলস্বরূপ, একজন ব্যক্তির ঘন ঘন ঘুম থেকে জেগে ওঠার অভিজ্ঞতা হতে পারে, যা কিডনি সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।
(The above story first appeared on LatestLY on Mar 28, 2025 11:01 AM IST. For more news and updates on politics, world, sports, entertainment and lifestyle, log on to our website latestly.com).

