Karnataka Trust Vote: কর্নাটকে আজই কি শেষ কংগ্রেস-JDS সরকারের! আজ আস্থা ভোটের আগে চাপে মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী
আস্থা ভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামীর বৈঠক কংগ্রেস নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে। (Photo Credits: IANS)

বেঙ্গালুরু, ২২ জুলাই: Karnataka Trust Vote Today: দীর্ঘ নাটকের অবশেষে আজ, সোমবার কর্নাটক বিধানসভায় হতে চলেছে আস্থা ভোট। মুখ্যমন্ত্রী এইচডি কুমারাস্বামী (HD Kumaraswamy)-কে আস্থা ভোটে জিততে না পারলে ক্ষমতা হারাবেন। আস্থা ভোটের আগে কুমারস্বামীর কাছে বড় ধাক্কা হল তাঁর পক্ষে থাকা বিএসপি বিধায়কের আস্থা ভোটে যোগদান থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত।

একেবারে শেষ মুহূর্তে কংগ্রেস মন্ত্রী ডিকে শিবকুমার বললেন, জোট সরকার বাঁচাতে কুমারস্বামী পদত্যাগ করতে তৈরি আছেন। যে দাবিটা নিয়ে বিদ্রোহী হয়েছিলেন ১৩ জন বিধায়ক। আরও পড়ুন-রদবদলের পর এখন দেশের সব রাজ্যের রাজ্যপালদের নাম-এক নজরে

পরে বিদ্রোহী ও দলত্যাগীদের সংখ্যাটা বাড়ে। তবে তাতেও চিড়ে যে ভিজছে না সেটা পরিষ্কার। কংগ্রেসের ১৬ জন ও জেডিএস-র ১ জন বিধায়ক জানিয়ে দিয়েছেন তাঁরা আস্থাভোটে অংশ নেবেন না। ফলে কুমারস্বামীর পক্ষে সংখ্যাটা একশো-তে এসে ঠেকেছে। অন্যদিকে বিজেপিকে সমর্থনকারী বিধায়কের সংখ্যা থাকতে পারে ১০৭-এ।

আস্থা ভোটে জেতার জন্য কিছুতেই আর অঙ্ক মেলাতে পারছে না কংগ্রেস-জেডিএস শিবির। সুপ্রিম কোর্টে যাওয়া এই সিংহাসনের লড়াইয়ে স্পিকারের যুক্তিতে বেশ কিছুদিন সময় পেলেও বিশেষ লাভ হল না কুমারস্বামীর।

জেডিএস-এর থেকে অনেক বেশি আসনে জিতেও বিজেপি-কে ক্ষমতা থেকে দূরে রাখতে জেডিএস-নেতা কুমারস্বামীকে মুখ্যমন্ত্রী করেছিল কংগ্রেস। আর তাতে কংগ্রেসের বিধায়কের মধ্যে ক্ষোভ ছিল। লোকসভায় বিপুল জয়ের পর কংগ্রেসের সেসব বিধায়করা বিজেপি-র স্ট্র্যাটেজিতে বিক্ষুব্ধ বনে যান। এদিকে, কুমারস্বামী আস্থা জিততে না পারলে বিজেপি- যাকে মুখ্যমন্ত্রী করতে পারেন, সেই বিএস ইয়েদুরাপ্পা বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সোমবারই কুমারস্বামীর শেষ দিন।

লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের ২৮টি-র মধ্যে ২৫টি-তে জয় ও কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদির বিপুল ভোটে ফের ক্ষমতায় ফেরার পর কর্নাটকে কংগ্রেস-জেডিএস সরকার সঙ্কটে পড়ে। গত বছর বিধানসভা নির্বাচনে কোনওরকমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা জোগাড় করে জোট করে সরকার গড়া মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামীকে বিপদে ফেলে বিদ্রোহী হয়ে পদত্যাগ করেন রাজ্যের শাসক জোটের ১৩জন বিধায়ক। সুদূর মুম্বইয়ের হোটেলে নিজেদের বন্দি রেখে কংগ্রেস-জেডিএস নেতাদের থেকে নিজেদের দূরে রাখেন বিদ্রোহী বিধায়করা।