GDP Growth: অক্টোবর-ডিসেম্বর ত্রৈমাসিকে ভারতের জিডিপি বেড়ে ৪.৭%
প্রতীকী ছবি (Photo Credits: IANS)

নতুন দিল্লি, ২৮ ফেব্রুয়ারি: চলতি অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে ভারতের জিডিপি (GDP) বৃদ্ধির হার আগের প্রান্তিকের থেকে বাড়ল। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর, এই ত্রৈমাসিকে বৃদ্ধি ৪.৭%। যা আগের ত্রৈমাসিক অর্থাৎ জুলাই-সেপ্টেম্বরের ৪.৫% নিরিখে বেশি। শুক্রবার জানিয়ছে সরকার। এই হারে বৃদ্ধি পেলে শেষ ত্রৈমাসিক অর্থাৎ জানুয়ারি-মার্চে জিডিপির হার ছুঁয়ে যাবে প্রস্তাবিত (৫%) মাত্রাকে। এদিন এমন সম্ভাবনার কথাও শোনা গিয়েছে অর্থনীতিবিদদের গলাতে। এদিন জাতীয় পরিসংখ্যান অফিসের প্রস্তাবিত জিডিপি মাত্রার এই বৃদ্ধি দেখে উচ্ছ্বসিত শাসক শিবির। চলতি সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman) দাবি করেছেন, ভারতের আর্থিক গতিতে সবুজ বৃদ্ধি লক্ষ্যণীয়। এই হারে বৃদ্ধি চলতে থাকলে সরকারের প্রস্তাবিত ৫% মাত্রা ছুঁয়ে ফেলবে জিডিপি। চলতি অর্থবর্ষের (Current Financial Year) নিরিখে এই মাত্রা ধার্য করেছিল অর্থমন্ত্রক। গত ২০০৮-০৯-এর বিশ্ব মন্দার নিরিখে এবার ভারতীয় অর্থনীতির এত নিম্নগতি পরিলক্ষিত।

এর আগে বেশ কয়েকজন অর্থনীতিবিদ বলেছিলেন যে তৃতীয় প্রান্তিকে জিডিপি বৃদ্ধির হার ৪.৬-৪.৮ শতাংশের মধ্যে থাকবে। যা চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ৪.৫ শতাংশ ছিল। ইন্ডিয়া রেটিং এবংরিসার্চ জিডিপি বৃদ্ধির হার ৪.৭ শতাংশ থাকার পূর্বাভাস দিয়েছিল। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI) ২০১৯-২০২০ সালে জিডিপি বৃদ্ধি ৫ শতাংশ থাকবে বলে অনুমান করেছিল। আরও পড়ুন: Amit Shah On CAA: 'মমতাদিরা কেন মিথ্যে বলছেন', CAA নিয়ে ফের বিরোধীদের নিশানা অমিত শাহের

কেন্দ্রীয় সরকার দেশের আর্থিক গতিকে চাঙ্গা করতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। সেই তালিকায় পরিকাঠামো খাতে বিপুল বিনিয়োগের পরিসরের প্রসঙ্গ আছে। কিন্তু বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা আতঙ্কে আন্তর্জাতিক বাজার স্থিতিশীল ও মন্দামুখী। সেই স্থিতাবস্থা ও মন্দার আঁচ ভারতীয় অর্থনীতিতে। এমন দাবিও করেছেন অর্থনীতিবিদরা।এ মসেই অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, ভারতীয় অর্থনীতির মৌলিক ভিত অক্ষত থাকবে। তা ভবিষ্যতেও অক্ষত রাখতে একাধিক বিকল্পের আশ্রয় নেবে অর্থ মন্ত্রক। বাজেট ২০২০, সেই দিশা দেখিয়েছে। পরিকাঠামো উন্নয়ন ও খরচ বহনের ভার ক্রমশ লাঘব হওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আর দেশকে ৫ ট্রিলিয়নের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হিসেবে তৈরি করতে এই পরিস্থিতি অনুকূল। এমন দাবি চলতি মাসে করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।