Saugata Roy Slams Narendra Modi: 'কিষাণ সম্মান নিধি' নিয়ে নরেন্দ্র মোদির দাবি মিথ্যা, পাল্টা তোপ তৃণমূলের সৌগত রায়ের
তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় (Photo Credit: PTI)

কলকাতা, ২৫ ডিসেম্বর: কৃষি আইন নিয়ে বিরোধীদের আজ তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। বাদ যায়নি তৃণমূল ও তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। রাজনৈতিক কারণেই কৃষি আইন ও কিষাণ সম্মান নিধি-র (PM Kisan Samman Nidhi scheme) বিরোধিতা তৃণমূল নেত্রী করছেন বলেও অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। পাল্টা নরেন্দ্র মোদিকে একহাত নিলেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় (Saugata Roy)। তিনি বলেন, কিষাণ সম্মান নিধি নিয়ে নরেন্দ্র মোদির দাবি মিথ্যা। রাজ্য কেন্দ্রকে জানিয়েছে, টাকা রাজ্যের মাধ্যমে দিক কেন্দ্র। রাজ্য টাকা দেবে আর কেন্দ্র সুবিধা নেবে?"

সৌগত রায়ের দাবি, মোদি সরকারের নতুন আইনের মূল লক্ষ্য তো পুঁজিপতিদের আরও সুযোগ করে দেওয়া। এতেই তো আদানি আম্বানিদের আসার সুযোগ করে দেওয়া হবে। এপিএমসি উঠে যাবে। পুঁজিপতিরা কৃষিক্ষেত্রে ব্যবসা করতে ঢুকে যাবে। মোদি সরকার চুক্তি চাষ চালু করছে। মানে কৃষক ফসল বোনার আগেই ঠিক হয়ে যাবে ফসলের দাম কী। চুক্তির পর বাজারে ফসলের দাম বাড়লে কৃষক পাবেন না। অত্যবশকীয় পণ্য আইন কেন মানব। যা ছিল তা তুলে দেওয়া হচ্ছে। কে মানব আমরা। বিজেপির নাম কেনার জন্য এসব কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী। মূল বিষয় থেকে সরে যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি। গায়ের জোরে সরকার আইন পাস করেছে। অত্যবশকীয় পণ্য আইনে আলু ও পেঁয়াজ নেই।" আরও পড়ুন: PM Kisan Samman Nidhi Scheme: 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শ বাংলা ধ্বংস করেছে, 'কিষাণ সম্মান নিধি' লাগু না করায় নিশানা নরেন্দ্র মোদির

প্রধানমন্ত্রী আজ বলেছেন, একমাত্র বাংলার কৃষকরা এই প্রকল্পের আওতা থেকে বাদ রয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) আদর্শ বাংলা ধ্বংস করেছে। কৃষকদের বিরুদ্ধে তাঁর এই কর্মকাণ্ড আমাকে আঘাত দিয়েছে। বিরোধীরা কেন এ বিষয়ে চুপ?" পাল্টা সৌগত রায় বলেন, যুক্ত রাষ্ট্রীয় পরিকাঠামো না মেনে সরাসরি কেন্দ্র থেকে টাকা দিতে চাইছেন। রাজ্য সরকার রাজ্যের মাধ্যমে টাকা দেওয়ার কথা বলেছে। রাজ্যের মাধ্যমে কৃষকদের টাকা দিক কেন্দ্র। তাহলেই রাজ্য সরকার কৃষকদের হাতে টাকা পৌঁছে দেবে। কিন্তু কেবল মাত্র নাম কেনার জন্য মোদি সরকার সরাসরি টাকা দেবে। বছরে ৬ হাজার টাকা কৃষকদের দিয়ে মোদি সরকার মনে করছেন ৬ লক্ষ টাকা দিচ্ছে। আর রাজ্য সরকার একর প্রতি কৃষকদের ৫ হাজার টাকা করে দিচ্ছেন। যাঁদের বেশি জমি রয়েছে তাঁরা আরও বেশি টাকা পাচ্ছেন। তাও আমরা বলছি আমাদের দিলে আমরা বিলি করব। টাকা পাঠাল পরের দিন বিলি করা শুরু হয়ে যাবে। ওদের কী অসুবিধা আছে টাকাটা রাজ্যকে দিতে।