CAA: নাগরিকত্ব আইনের মামলার আবেদন শুনতে রাজি সুপ্রিম কোর্ট, পরশুই আদালতে যাবে মামলা
সুপ্রিম কোর্ট (Photo Credits: IANS)

নতুন দিল্লি, ১৬ ডিসেম্বর: নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (CAA) মামলার আবেদন শুনতে রাজি হল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। সোমবারই বর্ষীয়ান আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভী (Abhishek Manu Singhvi) প্রধান বিচারপতি এস এ বোবডে (S A Bobde) সামনে বিষয়টি উল্লেখ করেন। তখনই দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয় এই  মামলার শুনানি হবে আগামী ১৮ ডিসেম্বর। শিথিল হওয়া নতুন আইনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে কমপক্ষে এক ডজন মামলার আবেদন করা হয়েছে।

প্রথম পিটিশনটি দায়ের করে ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগ। কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ থেকে জয়রাম রমেশ এবং টিএন প্রথাপন, তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra), এআইএমআইএম সাংসদ আসাদুদ্দিন ওওয়াইজিও রয়েছেন। নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল বা ক্যাব পাশ হয়ে গিয়েছে। রাষ্ট্রপতির সম্মতি পাবার পরই যা আইনে পরিণত হয়েছে। গতকাল বুধবার থেকেই আসামে ব্যাপক গণ্ডগোল শুরু হয়েছে ক্যাবের বিরুদ্ধে। কারফিউ, সেনা, আধাসেনায় গুয়াহাটি থেকে ডিব্রুগড় কম্পমান। পশ্চিমবঙ্গ সহ বেশ কয়েকটি অবিজেপি রাজ্য নতুন নাগরিকত্ব আইন মানবে না বলে জানিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে আইনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে পিটিশনও ফাইল করা হয়েছে। আরও পড়ুন: PM Narendra Modi On Protesters: 'হিংসার আন্দোলন দুর্ভাগ্যজনক', বিক্ষোভকারীদের জন্য টুইটবার্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

সরকার (Government) এই পরিবর্তিত আইনকে সহানুভূতিশীল বলে দাবি করা সত্ত্বেও কেন একে মুসলিম বিরোধী ও অসাংবিধানিক বলে অভিহিত করা হচ্ছে। আসামের বিরোধিতার কারণ নয়া আইনে কারা বাদ পড়ছেন সে নিয়ে নয়, কতজন অন্তর্ভুক্তির সুযোগ পাচ্ছেন সে নিয়ে বলেই মত বিভিন্ন মহলে। আন্দোলনকারীদের আশঙ্কা এর ফলে আরও বেশি অভিবাসী এ রাজ্যে এসে জায়গা পাবেন। এ রাজ্যে জনবিন্যাস এবং রাজনীতি অভিবাসন দ্বারাই নির্ধারিত হয়ে রয়েছে। আন্দোলনকারীদের দাবি নতুন আইন ১৯৮৫ সালের আসাম চুক্তি ভঙ্গ করছে। আসাম চুক্তিতে ভারতীয় নাগরিকত্বের ভিত্তি দিবস ধরা হয়েছিল ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চ। আসাম এনআরসির ভিত্তি দিবসও ছিল ওই দিনই। নতুন আইনানুসারে ভিত্তি দিবস ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর।