Odisha CM Naveen Patnaik: ভাড়াটিয়াদের থেকে ৩ মাস টাকা নেবেন না, বাড়িওয়ালাদের আবেদন করলেন নবীন পট্টনায়েক
নবীন পট্টনায়েক (Photo Credits: ANI/File)

ভুবনেশ্বর, ৩ এপ্রিল: মারণ ভাইরাসের কবলে মৃত্যুর পদধ্বনি শুনছে দেশ। সংক্রমণ এড়াতে লকডাউন চলছে। মানুষ গৃহবন্দি। এই পরিস্থিতিতে বাড়িওয়ালদের ভাড়াটিয়ার থেকে টাকা না নিতে অনুরোধ করলেন ওড়িশরা মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক (Naveen Patnaik)। তিনি বলেছেন, আগামী তিনমাস অন্তত ভারাটিয়াদের থেকে টাকা চাইবেন না। পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করুন। কারণ বেশিরভাগ মানুষের কাছে কাজ নেই। ঘরে বসে এক অজানা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচার চেষ্টা করছেন সকলে। এই অবস্থায় বাড়ির মালিকদের কাছে এহেন আবেদন করলেন নবীন পট্টনায়েক।

ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী এ-ও বলেন, “বাড়ি ভাড়া দিতে না পারায় ভাড়াটিয়াকে এই বিপর্যয়ের সময় ঘর ছাড়তে বাধ্য করবেন না কেউ। এক মহামারীর সঙ্গে যুঝছে গোটা বিশ্ব। দেশজুড়ে লকডাউন চলছে। রাষ্ট্র হিসেবে আমাদের সবাইকে এই লড়াইটা লড়তে হবে। এই কঠিন সময়ে সামাজিক দূরত্ব বাড়িয়ে প্রত্যেকে প্রত্যেকের পাশেই থাকুন। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।” এদিকে মু্ম্বইয়ের ধারাভি (Dharavi) বস্তিতে তৃতীয় সংক্রামিতর সন্ধান মিলল। আক্রান্ত বছর ৩৫-এর চিকিৎসক। এশিয়া সর্ব বৃহৎ ধারাভি বস্তিতে রাস্তা লাগোয়া একটি ক্লিনিকে বসতেন এই চিকিৎসক। তিনি বেসরকারি হাসপাতালের একজন সার্জেনও। চিকিৎসকের শরীরে মারণ রোগের জীবাণু মিলতেই তাঁর সংস্পর্শে আসা বাকিদের খোঁজ চালাচ্ছে বৃহন্মুম্বই পুরসভা। আক্রান্তের পরিবারকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। পুরসভার তরফে চিকিৎসকের বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। তথ্য বলছে, আক্রান্ত চিকিৎসক কখনও বিদেশে যাননি। আরও পড়ুন-Dharavi Reports Third Coronavirus Case: ধারাভিতে ফের কোভিড-১৯ পজিটিভ, এবার আক্রান্ত চিকিৎসক

মারণ ভাইরাস করোনার থাবায় (Coronavirus cases) গোটা বিশ্ব। মৃত্যুমিছিল অব্যাহত। এবার সেই মিছিল ৫০ হাজার ছাড়িয়ে গেল। বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০ লক্ষ। আশার কথা একটাই, এত কিছুর মধ্যেও এই মারণরোগ থেকে বেঁচে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন দু’লক্ষের কিছু বেশি মানুষ। কিন্তু এই সংখ্যাটা যেন ভাইরাসের মারণ তাণ্ডবের কাছে নেহাতই ছোট। কেবল গত ২৪ ঘণ্টাতেই আরও প্রায় ৫ হাজার জনের মৃত্যু হয়েছে। আমেরিকায় আক্রান্তের সংখ্যা একদিনে বেড়েছে ২০ হাজারের বেশি। মোট ২ লক্ষ ২৬ হাজার জন ইতিমধ্যেই করোনাভাইরাসে সংক্রামিত হয়েছেন। বেশিরভাগ দেশে মৃতদেহ সৎকারের পদ্ধতিটাই উল্টে গেছে। সার দিয়ে জমছে দেহ।