ই-সিগারেটে নিষেধাজ্ঞা জারি কেন্দ্রের, নিয়ম ভাঙলে কড়া শাস্তির দাওয়াই: নির্মলা সীতারমণ

ভারতে নিষিদ্ধে ই-সিগারেট। বুধবার এক সাংবাদিক সম্মলনে এই ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ (FM Nirmala Sitharaman)। তিনি বলেন, ই-সিগারেটের দোকান থেকে শুরু করে কারখানা, আমদানি রপ্তানি, বিক্রি, বিজ্ঞাপন এমনকী, ই-সিগারেট ধুমপায়ী এই ধরনের কোনও কিছু জানতে পারলেই জরিমানার খাঁড়া নিশ্চিত। যদি কেউ ই-সিগারেট স্টোর করার চেষ্টা করেন তিনিও শাস্তি এবং জরিমানার কবলে পড়তে চলেছেন।

ই-সিগারেটে নিষেধাজ্ঞা জারি কেন্দ্রের, নিয়ম ভাঙলে কড়া শাস্তির দাওয়াই: নির্মলা সীতারমণ
ই-সিগারেট(Photo Credit: Wikimedia Commons)

দিল্লি, ১৮ সেপ্টেম্বর: ভারতে নিষিদ্ধ ই-সিগারেট। বুধবার এক সাংবাদিক সম্মলনে এই ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ (FM Nirmala Sitharaman)। তিনি বলেন, ই-সিগারেটের দোকান থেকে শুরু করে কারখানা, আমদানি রপ্তানি, বিক্রি, বিজ্ঞাপন এমনকী, ই-সিগারেট ধুমপায়ী এই ধরনের কোনও কিছু জানতে পারলেই জরিমানার খাঁড়া নিশ্চিত। যদি কেউ ই-সিগারেট স্টোর করার চেষ্টা করেন তিনিও শাস্তি এবং জরিমানার কবলে পড়তে চলেছেন। মূলত আরএসএস-এর শাখা সংগঠন ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন বা বিকেইউ-র তরফে এনিয়ে দরবারের পরেই অর্থমন্ত্রক এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ই-সিগারেটের রমরমায় মার খাচ্ছে দেশের তামাক চাষীরা। কেননা এমনি সিগারেটের বিক্রি কমাতে তামাকের প্রয়োজনও কমেছে। ফলে চাষ হলেও তামাকের বিক্রি পড়ায় বিপাকে চাষিরা।

এই পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার পেতেই কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর ও কেন্দ্রীয় শিল্প বাণিজ্য মন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের সঙ্গে দেখা করে ই-সিগারেট নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন বিকেইউ নেতা  জগজিৎ সিং দালেওয়ালা। দেশে ই-সিগারেটের (e-cigarette)রমরমা চলতে থাকলে তামাক চাষিরা একেবারে নিঃস্ব হয়ে যাবেন। এমনি সিগারেট বিক্রি না হলে তামাক কেনার প্রয়োজনই থাকবে না। চাই চাষিদের বাঁচাতে ও দেশিয় উৎপাদন চালু রাখতে অনুরোধ করেন তিনি। সেই অনুরোধের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর। এদিন এই প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ বলেন, “অনেকেই আছেন যাঁরা মোজ করে ই-সিগারেটে আসক্ত হয়েছেন। প্রায় ৪০০-রও বেসি ব্র্যান্ড সবই বিদেশে তৈরি হচ্ছে। তবে ভারতে আর এসব চলবে না।” এই প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের সচিব প্রীতি সুদান বলেছেন, “ই-সিগারেট পানে সরকারি নিষেধাজ্ঞা না মানলে জরিমানা থেকে জেল কোনওটাই বাদ যাবে না। শাস্তি হিসেবে মূলত এক বছরের কারাদণ্ড ও এক লক্ষ টাকা জরিমানা গুনতে হবে ই-ধুমপায়ীকে। তবে যিনি প্রথম আইন ভাঙবেন তাঁকে তিন বছরের কারাদণ্ডের সহ্গে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা দিতে হবে।” আরও পড়ুন-পরস্ত্রীকে নিয়ে বেপাত্তা দাদা, এই অপরাধে তিনবোনকে নগ্ন করে বেধড়ক মারল পুলিশ

এই প্রসঙ্গে বিকেইউ নেতা জগজিৎসিং দালেওয়ালা বলেছেন, ই-সিগারেটের বাহুল্য়ে দেশের তামাক ব্যবসা চৌপাট হতে বসেছে। তামাক চাষিরাও ক্ষতির মুখে পড়ছেন। বিদেশি ই-সিগারেট কোম্পানিগুলি এখন দেশে দোকান খুলে বসতে চাইছে। এমনটা শুরু হলে তামাক চাষিরা মাঠে মারা যাবে। এদিকে ই-সিগারেটের আঁতুড়ঘর মার্কিন মুলুক, সেখানেও এই পানে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে।

 

(The above story first appeared on LatestLY on Sep 18, 2019 05:06 PM IST. For more news and updates on politics, world, sports, entertainment and lifestyle, log on to our website latestly.com).