NEET 2020 Update: মধ্যপ্রাচ্যের কোনও দেশে পরীক্ষাকেন্দ্রের প্রশ্ন নেই, সুপ্রিম রায়ে পরীক্ষার্থীদের বন্দেভারত ফ্লাইটে দেশে আনার নির্দেশ
সুপ্রিম কোর্ট (Photo Credits: IANS)

নতুন দিল্লি, ২৪ আগস্ট:  উপসাগরীয় অঞ্চল অর্থাৎ কেনও গালফ কান্ট্রিতে ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্টের পরীক্ষা হবে না। সোমবার এই রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। বরং যেসব সৌদি আরব-সহ সংযুক্ত আরব আমীরশাহীর দেশগুলিতে যেসব ভারতীয়রা বসবাস করেন তাঁদের ছেলে মেয়েদের চলতি বছরে NEET 2020 প্রবেশিকা পরীক্ষার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা হবে। আর তা হল, বন্দেভারত ফ্লাইটে চড়িয়ে  তাঁদের দেশে আনতে হবে। কেন্দ্রকে এমনই নির্দেশিকা দিল দেশের শীর্ষ আদালত। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে বসবাসকারী প্রবাসী ভারতীদের সন্তানরা দেশে মেডিক্যাল শিক্ষা নিতে আগ্রহী। অভিভাবকরাও তেমনটাই চান। তবে এবছর মহামারীর দাপট এবং কোভিড-১৯ লকডাউনের কারণে প্রবাসী ভারতীয়রা যেখানে বসবাস করছেন, সেখানেই পরীক্ষাকেন্দ্রের আবেদন জানিয়েছিলেন।

যাইহোক, সুপ্রিম রায় কিন্তু প্রবাসী ভারতীয়দের সমর্থনে গেল না। আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর NEET 2020-র পরীক্ষার দিন নির্ধারিত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসকারী যেসব পড়ুয়ারা এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে চান তাঁদের দেশে আসারর বন্দোবস্ত করবে কেন্দ্র। পরীক্ষার্থীদের বিমান ভাড়ায় ভর্তুকি দেওয়া হবে নাকি পুরো টাকাটাই প্রবাসী ভারতীয়দের বহন করতে হবে, সে সম্পর্কে কোনও তথ্যই এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। মহামারী কোভিডের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশা আটকে পড়া ভারতীদেয়দের ফেরাতে গত এপ্রিলে বন্দেভারত মিশন চালু করে কেন্দ্র। যখন আন্তার্জাতিক বিমান পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ তখন যেসব প্রবাসীরা দেশ ফেরার আবেদন করেছেন, তাঁদের প্রত্যেককে ভারতে ফিরিয়েছে এই বিমান। মধ্যপ্রাচ্য থেকে ভারতীয়দের দেশে ফেরাতে বন্দেভারত পরিষেবার বেশিটাই খরচ হয়েছে। আরও পড়ুন-Congress Working Committee Meet: নতুন সভাপতি খুঁজে নিন, কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে বললেন সোনিয়া গান্ধী

পরীক্ষার্থীদের উদ্যোগে বড়সড় অনলাইন প্রচার এবং তাবড় তাবড় রাজনৈতিক নেতাদের দাবিকে উপেক্ষা করেই আগামী মাসের ১৩ সেপ্টেম্বর পূর্ব নির্ধারিত দিনেই NEET UG এবং JEE Main এর পরীক্ষার আয়োজন করেছে কেন্দ্র। এই মহামারীতে পরীক্ষা হলে পড়ুয়াদের অসুস্থ হওয়ার একটা আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। তাই চলতি বছরে এমন বড় দুটি পরীক্ষায় আয়োজন নিয়ে কেন্দ্র একটু ধীরে চলো নীতি নিক, এমনটাই চাইছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁর সিদ্ধান্তে সহমত পোষণ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ও কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। এঁরা প্রত্যেকেই এনিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে দরবার করতে পিছপা হননি, তবে তাঁদের দরবারে যে কাজ হয়নি। তা আজকের সুপ্রিম রায়ই জানিয়ে দিল।