Lalbaugcha Raja 2019: খোদ গণেশের ভাঁড়ারেও মন্দার ছাপ, মুম্বইয়ের সেরা গণেশ পুজোতে ভক্তদের দান কমে মাত্র ৫ কোটিতে
লালবাগচা রাজা ২০১৯ (Photo Credits: Lalbaugcha Raja Sarvajanik Ganeshotsav Mandal/ Facebook)

মুম্বই, ১৭ সেপ্টেম্বর: Lalbaugcha Raja 2019 Collection Dips: দেশজুড়ে আর্থিক (Economic slowdown) মন্দার কোপে এবার মুম্বইয়ে লালবাগের গণেশ রাজা। মুম্বই (Mumbai) লালবাগের (Lalbaug) এই গণেশকে ওই এলাকা তথা সারা মুম্বইয়ের রাজা মানা হয়। লালবাগচা রাজাকে দেখতে দেশ বিদেশ থেকে আসেন প্রচুর দর্শনার্থী। দর্শনার্থীদের ভিড়ের চাপ সামলাতে নাকাল হন মুম্বই পুলিশ। লালবাগচা রাজার দর্শনার্থী সামলাতে বসানো হয় প্রায় হাজার পাঁচেক সিসিটিভি ক্যামেরা। প্রতিবছর প্রায় ১৪- ১৫ কোটির দান পেয়ে থাকে এই পুজো।

দান মানেই সোনার থালা, বাটি, গ্লাস। সোনার চেন, ভারী ভারী সোনা, হিরে, রূপার গয়না। এছাড়াও কোটি কোটি টাকার দান। উপচে পড়ে লালবাগচার দান বাক্স। কিন্তু এইবছরটা তার অন্যথা হল। এর কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে অর্থনৈতিক মন্দা ও প্রবল বৃষ্টিপাত। ২৫ বছরের রেকর্ডভাঙা বৃষ্টিতে কোপ পড়েছে দর্শনার্থীদের ভিড়ে। আরও পড়ুন, শ্রমজীবী মানুষের ভোকাট্টা স্বপ্নকে সুতোয় বাঁধতে প্যান্ডেলে হাজির বিশ্বকর্মা, বাংলায় কাল পুজো

প্রসঙ্গত, গত বছর ৬.৫৫ কোটি নগদ টাকা দান হিসেবে এসেছিলো যেখানে এই বছর ৫.০৫ কোটি টাকা এসেছে। ৫৬.০৭ কিলো রূপা ও ৩.৭৫ কিলো সোনা দান পায়। এবছরের সবচেয়ে বড় উপহার হিসেবে লালবাগের রাজা গণেশ দুটি সোনার থালা ও দুটি সোনার চামচ পেয়েছেন তার মূল্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা। এই পুজোর একটি বিশেষত্ব রয়েছে। দানের সব দ্রব্য নিলাম করে দেওয়া হয়। যে অর্থ দান এবং নিলাম থেকে সংগ্রহ হয় সেই অর্থ গরীব, দুঃখী, দুঃস্থ, আর্তদের প্রদান করা হয়। দেওয়া হয় বিভিন্ন সেবামূলক কাজে।

তবে লালবাগচার পুজো কমিটির (Lalbaugcha Puja Committee) এক ব্যক্তি কম দর্শনার্থীর কথা উড়িয়ে দিয়ে জানান এবছর প্রায় ১.৮৬ লক্ষ লাড্ডু বিক্রি হয়েছে, যেখানে গতবছর এই সংখ্যাটি ছিল ১.৬২ লাখ। ১৯৩৪ সাল থেকে চলছে এই পুজো। লালাবাগচা সার্বজনীন গণেশ উৎসব ৩০ আগস্ট দর্শনার্থীদের জন্ন্যে খুলে দেওয়া হয়েছিল। এবারের থিম ছিল 'চন্দ্রায়ন ২'।