Sri Lanka Crisis: মলদ্বীপ ছেড়ে এবার সিঙ্গাপুরে উড়ে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাক্ষে, লঙ্কায় ক্ষোভ চরম সীমায়
Gotabaya Rajapaska (Photo: IANS)

কলম্বো, ১৩ জুলাই: দেশের মানুষ তাঁর ওপর চরম ক্ষুব্ধ।  পালিয়ে পালিয়ে বাঁচার চেষ্টায় শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka)-র প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাক্ষে (President Gotabaya Rajpakasa)। গতকাল, মঙ্গলবার রাতে সেনাবাহিনীর বিমানে দেশ ছেড়ে মলদ্বীপে পালিয়ে ছিলেন লঙ্কান প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপেক্ষে। আর এবার বিশেষ কারণে মলদ্বীপ থেকে সিঙ্গাপুরে উড়ে যাচ্ছেন রাজাপাক্ষে। খুব সম্ভবত নিরাপত্তাজনিত কারণেই আজ, বুধবার রাতে সিঙ্গাপুরে উড়ে যাচ্ছেন তিনি। এমনই খবর প্রকাশিত হয়েছে শ্রীলঙ্কার সংবাদমাধ্যমে। স্ত্রী ও ২ দেহরক্ষীকে নিয়ে দেশ ছেড়ে মলদ্বীপে পালিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি রাজাপক্ষে। সূত্রের খবর, অ্যান্টোনভ-২২ সামরিক বিমানে চেপে দেশ ছাড়েন গোতাবায়া। শ্রীলঙ্কার বায়ু সেনার মিডিয়া ডিরেক্টর (Sri Lankan Air Force Media Director) এক বিবৃতিতে বলেছেন, "শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি, তাঁর স্ত্রী ও ২ জন দেহরক্ষীকে মলদ্বীপে উড়ানোর জন্য ইমিগ্রেশন, শুল্ক এবং অন্যান্য বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। ১৩ জুলাই ভোরে এয়ার ফোর্সের বিমানে তাঁদের মালদ্বীপে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।"

রাষ্ট্রপতি গোতাবায়া রাজাপাক্ষে দেশ ছাড়তেই শ্রীলঙ্কায় নতুন করে জারি হয়েছে জরুরি অবস্থা। শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসাবে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। আজ ভোরে সামরিক বিমানে চড়ে তিনি মালদ্বীপে গিয়েছেন। যদিও এখনও পর্যন্ত তিনি পদত্যাগ করার কথা ঘোষণা করেননি। শ্রীলঙ্কা সংসদের স্পিকারও জানিয়েছেন যে তিনি এখনও রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ পত্র হাতে পাননি। এদিকে আজ সকাল থেকে নতুন করে অশান্তি ছড়িয়েছে কলম্বোয় (Colombo)। বিক্ষোভকারীরা প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমসিংহের (Prime Minister Ranil Wickremesinghe) অফিস ও বাড়ির দিকে রওনা দিয়েছে। আরও পড়ুন- শ্রীলঙ্কার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির পদে এবার রনিল বিক্রমাসিঙ্ঘে

দেখুন টুইট

আজ, বুধবারই শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা গোতবয়া রাজাপাক্ষের (Sri Lanka President to give his resignation today )। তাঁর পদত্যাগ পত্র এলেই শুরু হয়ে যাবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া। সম্ভবত আগামী ২০ জুলাই শ্রীলঙ্কার নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে। এদিন সে দেশের সংসদ ভবন থেকে এই তথ্য দিলেন অধ্যক্ষ।

শেষ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী (Srilankan Prime Minister) রনিল বিক্রমসিংহের অফিস দখল করল বিক্ষোভকারীরা। বুধবার দুপুরে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমসিংহের অফিস দখল করে, সেখানে জাতীয় পতাকা ওড়াতে শুরু করা হয় বিক্ষোভকারীদের তরফে।

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর অফিস দখল করে, সেখানে মানুষ ঢুকে পড়তে শুরু করেন। প্রসঙ্গত প্রেসিডেন্ট গোতবয়া রাজাপাক্ষে দেশ ছেড়ে পালানোর পর প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমসিংহকেও ইস্তফা দিতে হবে বলে দাবি জানাতে শুরু করে বিক্ষোভকারীরা। বিক্ষোভ দমন করতে পুলিশ এবং সেনা বাহিনী নামানো হলেও, তাতে কোনও কাজ হয়নি শেষ পর্যন্ত।