Sri Lanka Crisis: হিংসা থামাতে শ্রীলঙ্কায় সেনা পাঠাচ্ছে ভারত? খবর ওড়াল ভারতীয় হাইকমিশন
Anti-Government Protest In Sri Lanka (Photo: ANI)

কলম্বো, ১১ মে: অর্থনৈতিক সঙ্কটে (Economic Crisis) জেরবার শ্রীলঙ্কায় অশান্তি (Sri Lanka) মারাত্মক আকার নিয়েছে। ইতিমধ্যেই কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। এই আবহে সোশাল মিডিয়া ও কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছিল যে শ্রীলঙ্কায় সেনা (Army) পাঠাবে ভারত (India)। আজ শ্রীলঙ্কায় ভারতীয় হাইকমিশন (High Commission of India in Colombo) স্পষ্টভাবে এই ধরনের খবর উড়িয়ে দিয়েছে। ভারতীয় হাইকমিশন বলেছে যে শ্রীলঙ্কার গণতন্ত্র, স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের প্রতি সম্পূর্ণ সমর্থন রয়েছে ভারতের।

হাইকমিশন টুইটারে এক বিবৃতিতে বলেছে, "হাইকমিশন সুস্পষ্টভাবে শ্রীলঙ্কায় ভারতের সেনা পাঠানোর বিষয়ে সংবাদমাধ্যম এবং সোশাল মিডিয়ায় প্রকাশিত অনুমানমূলক প্রতিবেদন অস্বীকার করছে। এই প্রতিবেদনগুলি এবং এই জাতীয় মতামতগুলি ভারত সরকারের অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র গতকাল স্পষ্টভাবে বলেছেন যে শ্রীলঙ্কার গণতন্ত্র, স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের প্রতি সম্পূর্ণ সমর্থন রয়েছে ভারতের।" বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি মঙ্গলবার বলেছেন, "গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকাশিত শ্রীলঙ্কার জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থ দ্বারা ভারত সর্বদা পরিচালিত হবে।" আরও পড়ুন: Chandigarh: পাঞ্জাবের অমৃতসরে কুয়ো থেকে উদ্ধার ব্রিটিশ বিরোধী ভারতীয় সেনাদের কঙ্কাল

এর আগে সোশাল মিডিয়ায় গুজব ছড়িয়েছিল যে শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে (Mahinda Rajapaksa) এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা ভারতে পালিয়ে গিয়েছেন। সেই দাবি ও জল্পনাগুলিকেও ভুয়ো এবং নির্লজ্জভাবে মিথ্যা হিসাবে অভিহিত করেছিল ভারতীয় মিশন। সোমবার পদত্যাগের পর থেকেই মহিন্দা রাজাপাকসের অবস্থান নিয়ে জল্পনা চলছে। জানা গিয়েছে যে মাহিন্দা তার অফিস-কাম-অফিসিয়াল বাসভবন টেম্পল ট্রিস ছেড়ে চলে গিয়েছেন। একদল বিক্ষোভকারী ত্রিনকোমালির পূর্ব বন্দর জেলার নৌ ঘাঁটির চারপাশে জড়ো হয়েছিল। তারা এটা মনে করেছিল যে মাহিন্দা রাজাপাকসে সেখানেই আশ্রয় নিয়েছেন।

সোমবার থেকে নতুন করে অশান্তি মাথাচাড়া দিয়েছে শ্রীলঙ্কায়। গণবিক্ষোভ মারাত্মক আকার নিয়েছে। হিংসায় প্রাণ গিয়েছে অন্তত ৮ জনের। স্থানীয় সংবাদ সংস্থাগুলি জানিয়েছে, বিক্ষোভ এবং সংঘর্ষে দ্বীপরাষ্ট্রটিতে অন্তত ২৫০ জন আহত হয়েছেন। দেশের এক সাংসদেরও মৃত্যু হয়েছে। শাসক দলের রাজনীতিবিদদের সম্পত্তিতে আগুন দেওয়া হয়েছে।