Coronavirus Cases In West Bengal: ৪ হাজার ১৫৭ জন নতুন করোনা আক্রান্ত, ষষ্ঠীর রেকর্ড সংক্রমণে সপ্তমীর বাংলায় আশঙ্কার মেঘ
ভারতে করোনাভাইরাস (Photo Credits: PTI)

কলকাতা, ২৩ অক্টোবর: হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণ। পুজো আচ্চার দিনও তা থেকে রেহাই মিলল না। ষষ্ঠীর দিন ঠাকুর দেখার লাইন ফাঁকা থাকলেও করোনা সংক্রমণের (Coronavirus Cases In West Bengal) লাইনে ভিড় উপচে পড়ল। বৃহস্পতিবারের (২২ অক্টোবর) বুলেটিন অনুযায়ী, নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪১৫৭ জন। গতকালের চেয়েও যা বেশি এবং অতি অবশ্যই নতুন রেকর্ড। গত দুদিনের মতো এদিনও রাজ্যে একদিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার পেরিয়ে গেল। সেইসঙ্গে মৃত্যু হয়েছে নতুন করে আরও ৬৪ জনের। তবে আশার আলো বলতে, রাজ্যে এখনও সুস্থতার হার ৮৭.৪৪ শতাংশ। কিন্তু সেই সুস্থতার হারও ধীরেধীরে কমছে। তবে, রাজ্যের সুস্থতার হার জাতীয় গড়ের তুলনায় এখনও পর্যন্ত বেশ কিছুটা বেশি।

উল্লেখ্য, বাংলায় সুস্থতার হার নিয়ে গত সেপ্টেম্বর মাসেই সন্তোষ প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। যদিও বাংলায় মৃত্যুর পরিসংখ্যান এখনও বিশেষজ্ঞদের মাথাব্যথার কারণ। এই মৃত্যু মিছিল রোধে প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কেন্দ্রের তরফেও রাজ্যকে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। মারণ ভাইরাসের কামড়ে রাজ্যে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজার ৩০৮ জনের। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গিয়েছেন ৬৪ জন। শুধু কলকাতা এবং উত্তর ২৪ পরগনায় এই সংখ্যাটা ১৬ ও ১৮ জন করে। এছাড়া হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বীরভূম, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলা থেকে নতুন করে করোনা আক্রান্তদের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আরও পড়ুন-US Presidential Election 2020: প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগে সবেতন ছুটি চাই, না পেলে হ্যালোউইনে মার্কিনমুলুকে বন্ধ অ্যামাজন ওয়্যার হাউস

এদিকে করোনার ‘নিউ নর্মালে’ ষষ্ঠীর সন্ধেয় পুজো মণ্ডপের ধারেকাছে ভিড়ের নামগন্ধ নেই। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে ১০ মিটারের মধ্যে কেউ ঢুকতে পারবেন না। তাই বাগবাজার সর্বজনীনের বাইরে দূর থেকে প্রতিমাকে ক্যামেরাবন্দি করার জন্য তৎপর মাত্র গুটিকয় ছেলেমেয়ে। পুজো মণ্ডপে করোনার কাঁটা এড়াতে তৃতীয়ার দিন থেকেই ঠাকুর দেখার পরামর্শ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তবে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে তাতেও ছেদ পড়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশ যে কতটা প্রয়োজনীয় ছিল তা ষষ্ঠীর লাগামছাড়া সংক্রমণের রেকর্ড দেখলেই বিষয়টি ভালভাবে আঁচ করা যাবে।