Mamata Banerjee SIR: এসআইআর নিয়ে জরুরি প্রশ্ন তুলে ধরে কমিশনকে কড়া চিঠি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

এসআইআর নিয়ে দুটি বড় প্রশ্ন তুলে ধরার দাবি করে নির্বাচন কমিশনকে কড়া চিঠি লিখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে উদ্দেশ্য করা লেখে চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা চিঠিতে উল্লেখ করেন, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন দফতর সম্প্রতি ভোটার তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য হাজারখানেক ডেটা এন্ট্রি অপারেটর ও সফটওয়্যার কর্মী নিয়োগ করতে একটি নতুন আরএফপি প্রকাশ করেছে।

Mamata Banerjee SIR: এসআইআর নিয়ে জরুরি প্রশ্ন তুলে ধরে কমিশনকে কড়া চিঠি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের
Mamata Banerjee On NRC (Photo Credit: FB)

Mamata Banerjee SIR: এসআইআর নিয়ে দুটি বড় প্রশ্ন তুলে ধরার দাবি করে নির্বাচন কমিশনকে কড়া চিঠি লিখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে উদ্দেশ্য করা লেখে চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা চিঠিতে উল্লেখ করেন, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন দফতর সম্প্রতি ভোটার তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য হাজারখানেক ডেটা এন্ট্রি অপারেটর ও সফটওয়্যার কর্মী নিয়োগ করতে একটি নতুন আরএফপি প্রকাশ করেছে। অথচ জেলার নির্বাচন আধিকারিকদের আগে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, এসআইআর বা অন্যান্য ভোটার ডেটা আপডেটের কাজ কোনও চুক্তিভিত্তিক কর্মী বা বাংলা সহায়তা কেন্দ্রের কর্মীদের দিয়ে করানো যাবে না।

বিস্ফোরক অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, জেলার প্রশাসনিক ইউনিটগুলির কাছে পর্যাপ্ত কর্মী থাকা সত্ত্বেও হঠাৎ কেন্দ্রীয়ভাবে এত বড় নিয়োগের প্রস্তাব প্রশ্ন তুলছে। তাঁর বক্তব্য, এই সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হল, কার স্বার্থে নেওয়া হল এবং নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের কাজের শর্তাবলি বর্তমান কর্মীদের তুলনায় কীভাবে আলাদা হবে এইসব বিষয়ে স্বচ্ছতা নেই। তিনি সময়সীমা ও টেন্ডার পদ্ধতিকেও সন্দেহজনক বলে মনে করছেন। পাশাপাশি চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, CEO দফতরে কর্মীসংকট প্রবল। ডেটা এন্ট্রি অপারেটর পদে ৫০ শতাংশেরও বেশি শূন্যপদ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে SIR-এর কাজ নিজেরাই সামলানোর প্রয়োজন থাকলেও হঠাৎ আউটসোর্সিংয়ের সিদ্ধান্ত উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

দেখুন মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে কী লিখলেন মুখ্যমন্ত্রী 

কী দাবি মুখ্যমন্ত্রীর

মমতার বক্তব্য, ঠিক নির্বাচনী তালিকা সংশোধনের গুরুতর সময়ে আরএফপি জারি করা অত্যন্ত সন্দেহজনক। এতে মনে হচ্ছে নিয়ম-কানুন এড়িয়ে 'স্বার্থান্বেষী মহলের' সুবিধা করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সতর্ক করেছেন, বেসরকারি সংস্থাকে সংবেদনশীল নির্বাচনী তথ্য দিলে ভুলভ্রান্তি, গোপনীয়তা লঙ্ঘন, এমনকি প্রান্তিক মানুষের বিরুদ্ধে বৈষম্যের সম্ভাবনাও বাড়তে পারে। এতে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

(The above story first appeared on LatestLY on Jan 01, 1970 05:30 AM IST. For more news and updates on politics, world, sports, entertainment and lifestyle, log on to our website latestly.com).