Sukanta Majumdar: 'গোটা বাংলা দেখেছে ক্যামেরার সামনে তিনি টাকা নিয়েছেন...' ফিরহাদকে আক্রমণ সুকান্তের
Sukanta Majumdar, Firdad Hakim (Photo Credits: X, Instagram)

প্রাথমিক নিয়োগ তদন্ত চলাকালীন পুর নিয়োগে দুর্নীতির হদিস পান কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিষেক গঙ্গোপাধ্যায়। শুরু হয় তদন্ত। সেই মর্মে ফিরহাদ হাকিম (Firdad Hakim) এবং মদন মিত্রের (Madan Mitra) বাড়িতে রবিবার তল্লাশি অভিযান চালায় সিবিআই (CBI)। রাজ্যের মন্ত্রী এবং প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়িতে সিবিআই হানা নিয়ে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। কেন্দ্রের রোষের শিকার রাজ্য, এই অভিযোগে সরব হয়েছে শাসক দল। যদিও পালটা দিতে ছাড়ছে না বিজেপিও। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) কটাক্ষ করে বলেন, "ফিরহাদ হাকিমে গিয়ে জিজ্ঞাসা করুন তাঁর থেকে বিজেপি কী দাবি করেছিল। বিজেপির এমন খারাপ দিন আসেনি যে তাঁর মত 'মিনি পাকিস্তানের বাবা'র থেকে কিছু দাবি রাখবে'।

নারদা কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার হয়েছিলেন ফিরহাদ হাকিম (Firdad Hakim)। জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। এদিকে সিবিআই তল্লাশি চালিয়ে তাঁর বাড়ি ছাড়ার পর সাংবাদিক বৈঠক ডেকে মেয়ক চিৎকার করে বলেন, 'আমি কি চোর'। সেই প্রসঙ্গ টেনে বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) আরও বলেন, 'গোটা পশ্চিমবঙ্গের জনতা দেখেছে কীভাবে ক্যামেরার সামনে তিনি নোটের বান্ডিল নিয়েছেন। বঙ্গের জনতা জানে তিনি (ফিরহাদ হাকিম) চোর কিনা। জেলে গিয়েছেন, জেলে থেকে এসেছেন'। সুকান্তের (WB BJP President Sukanta Majumdar) আরও সংযোজন, 'মেয়রের রাজনীতিতে আসার আগে এবং পরের সম্পত্তি খতিয়ে দেখলেই বোঝা যাবে ফিরহাদ হাকিম কেমন মানুষ'।

পুর নিয়োগ মামলায় গত ৫ অক্টোবর খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষের বাড়ি হানা দিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। পুর নিয়োগ তদন্তে ইডির (ED) পর এবার তৎপর সিবিআই। রবিবার সিআরপিএফ জওয়ান সঙ্গে নিয়ে কলকাতা মেয়র তথা রাজ্যের পুরসভা মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্রের বাড়ি ছাড়াও রাজ্যের ন’জন নেতা-মন্ত্রীর ঠিকানা মিলিয়ে মোট ১২টি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে সিবিআই।