Nipah Virus Outbreak in Kerala: কেরলে নিপার থাবায় আক্রান্ত ২৫১, কোজিকোড়ে ১১ জনের উপর নজরদারি
Bats (Photo Credit: File Photo)

কোজিকোড়, ৭ সেপ্টেম্বর: কেরল (Kerala) জুড়ে থাবা বসাতে শুরু করেছে নিপা ভাইরাস (Nipah Virus)। চাথামঙ্গলামে ১২ বছরের এক কিশোরের মৃত্যুর পর থকেে নিপা ভাইরাস নিয়ে গোটা রাজ্যে শুরু হয়েছে জোর শোরগোল।

রিপোর্টে প্রকাশ, নিপা ভাইরাসে ক্রমাগত আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে দক্ষিণের এই রাজ্যে। কেরলে এই মুহূর্তে ২৫১ জন নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত বলে খবর মিলছে। যে ২৫১ জন নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত, তাঁদের প্রত্যেকে শরীরে উপসর্গ রয়েছে। কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীণা জর্জ জানান, যাঁরা নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত, শিশু থেকে বৃদ্ধ কিংবা স্বাস্থ্যকর্মী, তাঁরা প্রত্যেকে ভাল আছেন। পুণের (Pune) ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজির তরফে মঙ্গলবার সকালে ৮ জনের রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়। যাঁরা প্রত্যেকেই নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত বলে খবর। তবে স্বস্তির খবর এই যে, যে নমুনাগুলি পরীক্ষা করে নিপা ভাইরাসের খোঁজ মিলেছে, সেগুলির কোনওটাই যে অত্যন্ত সংক্রমিত নয়।

জানা যাচ্ছে, নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কোজিকোড় (Kozhikode) মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫৪ জন ভর্তি রয়েছেন। নিপা ওয়ার্ডে যে ৫৪ জন ভর্তি তার মধ্যে ৮ জনকে নিয়ে চিন্তায় চিকিৎসকরা। পাশাপাশি যে ২৫১ জন নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত, তাঁদের মধ্যে ১২৯ জন স্বাস্থ্যকর্মী।

আরও পড়ুন: Nipah Virus Outbreak in Kerala: সাবধান! কেরলে ছড়াচ্ছে নিপা ভাইরাস, দক্ষিণী রাজ্যে জারি সতর্কতা

সূত্রের খবর, কেরলে যে ১২ বছরের কিশোরের নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়, তার সংস্পর্শে এসেছেন একাধিক মানুষ। একটি ক্লিনিক থেকে শুরু করে ৪টি হাসপাতাল সহ কোজিকোড় মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয় ওই কিশোরকে। ফলে মৃতের সংস্পর্শে যাঁরা এসেছেন, তাঁদের প্রত্যেকেকেই নজরদারিতে রাখা হয়েছে বলে খবর।

এদিকে রাজ্যের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কেন্দ্রও এ বিষয়ে সমস্ত ধরনের সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছে। কান্নুর, মাল্লাপুরম এবং ওয়েনাড়, এই তিনটি জায়গার উপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এসবের পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। কেউ নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে, প্রথমে তাঁর চিকিৎসার পর যাতে হোম কোয়েন্টাইন করা যায়, সে বিষয়েও সমস্ত ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে।

বাদুড় (Bat), শূকরের (Pig)দেহ থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয় এই নিপা ভাইরাস। ফলে পাখি বা বাদুড়ে খাওয়া ফল যাতে না খাওয়া হয়, সে বিষয়েও সচেতনতা বাড়ানো হচ্ছে পুরোদমে।