Greta Thunberg 'Toolkit' Case: এবার টুলকিট কাণ্ডে মুম্বইয়ের আইনজীবী নিকিতা জেকবের বিরুদ্ধে জারি জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
নিকিতা জেকব (Photo Credits: Twitter)

নতুন দিল্লি, ১৫ ফেব্রুয়ারি: দিল্লির কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে টুইটারে সরব হয়েছিলেন সুইডিশ সমাজকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ। প্রশ্ন উঠেছিল তাঁর শেয়ার করা টুলকিট নিয়ে। এরপর টুলকিট শেয়ারের অভিযোগে সমাজকর্মী দিশা রবিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এবার পেশায় আইনজীবী নিকিতা জেকবের (Nikita Jacob) বিরুদ্ধে জারি হয়েছে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা। ইতিমধ্যেই তাঁর দিল্লির বাসভবনে হানা দিয়েছিল। তবে তিনি পলাতক। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, এই টুলকিট আসলে একটি খালিস্তানি গ্রুপ। প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লিতে হওয়া ট্রাক্টর মিছিল নিয়ে টুইটারে ঝড় উঠুক, এনিয়ে পোয়েটিক জাস্টিস ফাউন্ডেশন নিকিত জেকবের সঙ্গে যোগাযোগ করে। এনডিভি সূত্রের খবর, জেকবের বাড়িতে তল্লাশি শুরু করেছে। তাঁর ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।  আরও পড়ুন-West Bengal Assembly Elections 2021: ভোটের আগে মমতার মাস্টার স্ট্রোক, মায়ের রান্নাঘরে আজ থেকেই চালু ৫ টাকার ডিমভাত

তবে নিকিতা জেকব শুধু একা নন, শান্তনু নামের আর এক সমাজকর্মীর বিরুদ্ধেও গ্রেপ্তরি পরোয়ানা জারি হয়েছে। বলাবাহুল্য, এই দুজনের বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আসলে জামিন অযোগ্য। শুধু তা-ই নয়, দিল্লি পুলিশের অভিযোগ, যে সংস্থা ‘টুলকিট’ তৈরি করেছে, তারা নিকিতার সঙ্গে যোগাযোগও করেছে। এদিকে বছরএকুশের সমাজকর্মী দিশা রবির মুক্তির দাবিতে সরব হয়েছে বেঙ্গালুরুর পড়ুয়া, সঙ্গীতশিল্পী-সহ রাজধানী দিল্লির বিশিষ্টদের একাংশ। দিশার বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগও এনেছে দিল্লি পুলিশ। দিশার মুক্তি চেয়ে মুখ খুলেছেন আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের ভাইঝি মিনা হ্যারিসও। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কেন বার বার আন্দোলনকারীদেরই নিশানা করছে ভারত সরকার? দিশার গ্রেপ্তারিকে গণতন্ত্রের উপরে অপ্রত্যাশিত হামলা বলেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

দিল্লি পুলিশের অভিযোগ, গ্রেটা থুনবার্গের পোস্ট করা ‘টুলকিট’-টি সম্পাদনা করে তা শেয়ার করেছিলেন দিশা রবি। তাঁর বিরুদ্ধে ওই ‘টুলকিট’-এর প্রসারে ‘অন্যতম ষড়যন্ত্রকারী’ হিসাবেও অভিযোগ আনা হয়েছে। এরপর ‘ফ্রাইডেজ ফর ফিউচার ইন্ডিয়া’-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা দিশাকে গ্রেপ্তার করে দিল্লি পুলিশের সাইবার ক্রাইম সেল। টুলকিটের ক্রিয়েটরের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২৪-এর এ, ১২০-র এ, ১৫৩-র এ ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।