COVID-19 Second Wave: জুনের পর ইংল্যান্ডে ১ দিনে সর্বাধিক সংক্রামিত ১ হাজার ৫২২ জন, তবে কি করোনাভাইরাসের সেকেন্ড ওয়েভ শুরু?
ফাইল ছবি (Photo Credits: AFP)

লন্ডন, ২৮ আগস্ট: ইউরোপে নতুন করে ফিরছে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ? (COVID-19 Second Wave) প্রায় ১১ সপ্তাহ পরে মাত্রাছাড়া সংক্রমণ দেখা গেল ইংল্যান্ডে। একদিনে সেখানে নতুন করে করোনা আক্রান্ত ১ হাজার ৫২২ জন। গত ১২ জুনে সেখানে সবথেকে বেশি নতুন করোনা রোগীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৫৪১ জন। তারপর এতদিন পরে ফের নতুন করে একসঙ্গে এতজনের শরীরে মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা গেল। প্রতিদিন ফের একটু একটু করে কমে যাওয়া সংক্রমণের সংখ্যা পের নতুন করে বাড়তে থাকায় আশঙ্কা ব্রিটেনের প্রশাসন। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন আগেই এই বিষয়টি নিয়ে সতর্কতা ছিলেন যে মহামারী দ্বিতীয় ঢেউ এবার শুরু হতে পারে। মনে করা হচ্ছে প্রাধনমন্ত্রীর আশঙ্কাই ব্রিটেনে সত্যি হতে চলেছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় শুধু সংক্রামিতই বাড়েনি। করোনায় বলির সংখ্যা ও বেড়েছে। আরও ১২ জন করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে কাল। মারণ রোগে মৃত ওই ১২ জন গত ২৮ দিনের মধ্যে তাঁদের কোভিড টেস্ট রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। এই মৃত্যর পরে ব্রিটেনে করোনার মোট বলি ৪১ হাজার ৪৭৭ এ পৌঁছালো। তবে নতুন করে যে হারে প্রতিদিন সংক্রমণ বাড়ছে তাতে টোরি সরকার যে আগামী মাসে স্কুল পুনরায় চালু করার নির্দেশ দিয়েছে তা কার্যকর হলে বিপদ বাড়বে বই কমবে না। বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ডে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৫২২ জন। ঠিক আগের নতুন করোনা রোগীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৪৮ জন। আগস্টে প্রতিদিন নতুন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ব্রিটেনে বেড়েই চলেছে। এই ক্রমাগত সংক্রমণ বাড়তে থাকার বিষয়টি নতুন করে করোনাভাইরাসের সেকেন্ড ওযেভের ইঙ্গিত দিচ্ছে। জুলাইয়ের মাঝামাঝি সেখানে প্রতিদিন নতুন করোনা রোগীর সংখ্যা ছিল গড়ে ৫৪০ জন। তেমনই চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে প্রায় প্রতিদিনই নতুন করোনা রোগীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ১৩৮ জন। আরও পড়ুন-Sundar Pichai: মার্কিন মুলুকে টিকটক অধিগ্রহণের দৌড়ে নেই গুগল, বললেন সুন্দর পিচাই

গত জুলাইতে ব্রিটেনে পর্যটনের মরশুম শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন তখনই সমগ্র ইউরোপে মারণ ভাইরাসের সেকেন্ড ওয়েভ নিয়ে সতর্ক করেছিলেন। কেননা স্পেন, ইটালি, পর্তুগাল থেকে পর্যটকরা ব্রিটেনে ফিরছেন। একই সঙ্গে ভাইরাসকে সঙ্গে নিয়ে ফিরতে আর একটা গরম হটস্পট। এদিকে সেপ্টেম্বর স্কুল খোলা নিয়ে লন্ডনের স্কুল অফ হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনের তরফে টোরি সরকারে সতর্ক করা হয়েছে। কেননা এই সিদ্ধান্ত বড়সড় বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।