Donald Trump: মহামারী করোনার মধ্যেও মাংস প্রক্রিয়াকরণ প্ল্যান্ট খোলা রাখতে  নির্দেশিকায় সই ডোনাল্ড ট্রাম্পের
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প(Photo Credits: Getty Images)

ওয়াশিংটন, ২৯ এপ্রিল: করোনা বিধ্বস্ত মার্কিন মুলুকে চলছে লকডাউন। এদিকে টানা লকডাউনে খাবারে টান পড়েছে সেখানকার সুপার মার্কেটে মিলছে না প্রক্রিয়াজাত মাংস। তাই এই বিপর্যয়ের মধ্যেও যাতে চিকেন, পর্ক-সহ অন্যান্য মাংসের প্রক্রিয়াকরণ শুরু হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখেছে ট্রাম্প প্রশাসন। মঙ্গলবার এনিয়ে কার্যনির্বাহী নির্দেশিকায় সইও করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট (President Donald Trump)। জানা যাচ্ছে এই সময়ে খাদ্যাভাব কমাতে ডিফেন্স প্রোডাকশন অ্যাক্টের আওতাতেই সেদেশে মাংসের প্রক্রিয়াকরণের কারখানাগুলি খোলা থাকবে। মাংস প্রক্রিয়াকরণ কারখানার কর্মীদের শরীরে মিলেছে করোনার জীবাণু। স্বাভাবতই উৎপাদন বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কারখানার তরফে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে যে অল্প দিনের মধ্যেই সুপার মার্কেটে প্রক্রিয়াজাত মাংসে টান পড়বে।

এই প্রসঙ্গে হোয়াইট হাউসের এক পদস্থ কর্তা জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই এই ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে জোরকদমে কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। করোনা সংক্রমণের জেরে প্রক্রিয়াকরণ প্ল্যান্টগুলি বন্ধ রয়েছে। এই কারণেই সুপার মার্কেটে ৮০ শতাংশ প্রক্রিয়াজাত মাংস না-ও মিলতে পারে। তবে বুধবার ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, সেখানে প্রক্রিয়াজাত মাংসের সরবরাহ পর্যাপ্ত পরিমাণেই রয়েছে। তারমধ্যেও একটা কিন্তু থেকে যাচ্ছে। সেই কিন্তু হল আইনি বাধা। সেটা এখন দ্রুত কাটাতে হবে। দেশের সবথেকে বড় দুই পর্ক প্রক্রিয়াকরণ প্ল্যান্ট সম্প্রতি বন্ধ হয়েছে। মাংস প্রক্রিয়াকরণ সংস্থা টাইসন ফুডস তাদের ওয়াটারলু ও লোয়া-র প্ল্যান্ট বন্ধ করে দিয়েছে। অন্যদিকে সু ফলস ও সাউথ ডাকোটার প্ল্যান্টও বন্ধ রেখেছে মাংস প্রক্রিয়াকরণ সংস্থা স্মিথফিল্ড ফুডস। আরও পড়ুন- Donald Trump: মানুষ যদি করোনা সারাতে কীটনাশক ইঞ্জেকশন নেয় তবে তার দায়ভার নেবেন না তিনি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

এইসব প্রক্রিয়াকরণ সংস্থার তরফে ট্রাম্পকে চিঠি লিখে সতর্ক করা হয়েছে যে খুব শিগগির সুপার মার্কেটে প্রক্রিয়াজাত মাংস মিলবে না। কেননা সংক্রমণের শুরু দিকে টয়লেট পেপারে ভাইরাস ছড়ানোর আতঙ্ককে কেন্দ্র করে প্ল্যান্টে প্রক্রিয়াকরণ বাতিল হয়ে গিয়েছিল। এনিয়ে গত রবিবার নিউইয়র্ক টাইমসে ফুলপেজ বিজ্ঞাপন দিয়েছেন টাইসন ফুডস। তাতে স্পষ্ট করে বলে দেওয়া হয়েছে, ভাইরাসের কবল থেকে এক লক্ষ কর্মীকে নিরাপদে রাখতে কিছু প্ল্যান্ট বন্ধ রাখা হয়েছে। পর্ক, বিফ ও চিকেনের প্ল্যান্ট বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে।