দিল্লি, ১০ অক্টোবর: কাবুলে (Kabul) হামলা চালাল পাকিস্তান (Pakistan)। আফগান মন্ত্রীর ভারত সফরের মাঝে কাবুলে হামলা চালায় পাক সেনা। তেহরিক-ই-তালিবানের ডেরায় হামলা চালায় পাকিস্তান। তালিবানের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুক্তাকি যখন ভারতে রয়েছেন, সেই সময় কাবুলে হামলা চালায় পাকিস্তান।
তেহরিক-ই-তালিবানের নেতা নুর আলিকে মারার লক্ষ্যেই কাবুলে হামলা চালানো হয় বলে খবর। তবে পাক হামলার আভাস পেয়েই তেহরিক-ই-তালিবানের (Taliban) নেতা নুর আলিকে নিরাপদে গোপণ আস্তানায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় বলে খবর।
কাবুলে হামলা পাকিস্তানের...
#Afghanistan rocked by explosions on Thursday night, with reports saying that #Pakistani jets carried out airstrikes targeting Tehreek-e-Taliban Pakistan (TTP) camps in #Kabul as tensions flared.#KabulUnderAttack #KabulStrikes #Kabul_Explosion #Pakistan #Terrorism
Prayers pic.twitter.com/l0PMfkvWHf
— Jiten Ahuja Proud 🇮🇳 (@AhujaJiten) October 10, 2025
প্রসঙ্গত ২০১৮ সালে তেহরিক-ই-তালিবানের মাথায় বসে রয়েছে নুর আলি মাসুদ। সেই নুর আলিকে খুঁজতে বৃহস্পতিবার রাতে কাবুলের শাহিদ-আবদুল-হক স্কোয়ারে একটানা বিমান হামলা শুরু করে পাকিস্তান। তবে নুর আলির প্রাণ সুরক্ষিত। তেহরিক-ই-তালিবানের ওই নেতার মৃত্যু হয়নি বলে অডিয়ো মেসেজে দাবি করা হয়।
এদিকে পাকিস্তানের একাধিক সংবাদমাধ্যমের তরফে নুর আলির মৃত্যুর দাবি করা হয়। যা তেহরিক-ই-তালিবানের তরফে অস্বীকার করা হয়। নুর আলি নিরাপদে সুরক্ষিত আছে বলে জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে তেহরিক-ই-তালিবানের সদর দফতরে হামলা চালায় পাকিস্তানি সেনা। ফলে বৃহস্পতিবার রাতে আগুনের গোলায় ঝলসে উঠতে শুরু করে কাবুলের ওই এলাকা। ফলে আগুনের যে ফুলকি উঠতে শুরু করে, তার ছবি কার্যত ভয়াবহ হয়ে ওঠে।
ভারতের সঙ্গে আফগানিস্তানের (Afghanistan) সম্পর্ক আবার ভাল হতে শুরু করায় ভয়ে কাঁপছে পাকিস্তান। আর সেই ভয় থেকেই শেহবাজ় শরিফ সরকার নতুন করে কাবুলে হানাদারি চালায় বলেই মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে পাকিস্তানের অভিযোগ, তেহরিক-ই-তালিবান এবং পাকিস্তানি তালিবানকে শক্তিশালী করছে আফগান সরকার। অর্থ থেকে অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে তাদের বল যোগাচ্ছে তালিবান। সেই কারণেই তেহরিক-ই-তালিবানের ডানা ছাটতে ই ওই হামলা চালানো হয়েছে বলে পালটা দাবি ইসলামাবাদের।