Suryakumar Yadav. (Photo Credits:X)

চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আজ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মুখোমুখি হচ্ছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারত এবং হ্যারি ব্রুকের নেতৃত্বাধীন ইংল্যান্ড. মুম্বাইয়ের ঐতিহাসিক ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ভারতীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় এই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচটি শুরু হবে. গত রবিবার ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে টিম ইন্ডিয়া. আজকের লড়াইয়ে যারা জয়ী হবে, তারা আগামী রবিবার আহমেদাবাদে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ পাবে.

ভারতীয় শিবিরের রণকৌশল ও সম্ভাব্য একাদশ

সুপার এইটের শেষ ম্যাচে সঞ্জু স্যামসনের অপরাজিত ৯৭ রানের লড়াকু ইনিংস ভারতকে সেমিফাইনালে পৌঁছাতে সাহায্য করেছে. অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের অধীনে দলের মিডল অর্ডার বেশ স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে. তবে ওয়াংখেড়ের উইকেটের কথা মাথায় রেখে আজকের ম্যাচে ভারতীয় একাদশে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে. পিচের ধরণ বিবেচনা করে রিস্ট-স্পিনার কুলদীপ যাদবকে মূল একাদশে ফেরানো হতে পারে, যা মাঝের ওভারগুলোতে ইংল্যান্ডের ব্যাটারদের চাপে রাখতে সাহায্য করবে.

ইংল্যান্ডের দুর্দান্ত ফর্ম ও হ্যারি ব্রুকের নেতৃত্ব

অন্যদিকে, হ্যারি ব্রুকের নেতৃত্বে ইংল্যান্ড এই টুর্নামেন্টে অত্যন্ত বিধ্বংসী ফর্মে রয়েছে. সুপার এইট পর্বে গ্রুপ ২-এর প্রতিটি ম্যাচে জয়লাভ করে তারা পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকে সেমিফাইনালে উঠেছে. ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপ এবং অলরাউন্ডারদের গভীরতা ভারতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে. বিশেষ করে ব্রুকের আক্রমণাত্মক নেতৃত্ব এবং পাওয়ার প্লে-তে ইংলিশ ওপেনারদের ফর্ম ভারতীয় বোলারদের জন্য চিন্তার কারণ হতে পারে.

পরিসংখ্যান ও আবহাওয়ার পূর্বাভাস

এটি টানা তৃতীয়বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারত ও ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা. এর আগের দুইবারের লড়াইয়ে দুই দলই একে অপরকে কড়া টক্কর দিয়েছে. মুম্বাইয়ের উপকূলীয় আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখে আয়োজকরা সব ধরণের প্রস্তুতি সেরে রেখেছেন. ম্যাচের দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলে শুক্রবার একটি রিজার্ভ ডে বা সংরক্ষিত দিন রাখা হয়েছে, যাতে খেলার ফলাফল নিশ্চিত করা সম্ভব হয়.

ইতিমধ্যেই প্রথম সেমিফাইনালে জয়লাভ করে নিউজিল্যান্ড ফাইনাল নিশ্চিত করেছে. আজকের বিজয়ীরা আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে কিউইদের বিরুদ্ধে বিশ্বজয়ের লড়াইয়ে নামবে. ঘরের মাঠে ট্রফি ধরে রাখার চাপ থাকলেও, ওয়াংখেড়ের চেনা গ্যালারি এবং দর্শকদের সমর্থন ভারতের জন্য বাড়তি পাওনা হতে পারে.