দিল্লি, ৩১ অক্টোবর: পাকিস্তান-আফগানিস্তানের (Pakistan-Afghanistan) মাঝে দ্বন্দ্বের আবহাওয়া কাটছে না। উলটে তা বেড়েই চলেছে। পাকিস্তান-আফগানিস্তান শান্তি চুক্তির জন্য কথাবার্তা চালালেও,তা যে একেবারেই ফলপ্রসূ হচ্ছে না, তা স্পষ্ট। আর সেই কারণেই ফের পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের মাঝে শান্তি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে। তুর্কীতে বসবে পাকিস্তানের সঙ্গে আফগানিস্তানের শান্তি আলোচনার বৈঠক। সূত্রের তরফে মিলছে এমন খবর।
আগামী ৬ নভেম্বর তুর্কীতে (Turkey)বসবে পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের শান্তি বৈঠক। তুর্কীর মধ্যস্থতায় এই বৈঠক বসবে।
২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালিবান (Taliban) ক্ষমতায় ফেরার পর পাকিস্তানের সঙ্গে এই প্রথম তারা সংঘর্ষে জড়ায়। পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান সীমান্ত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দুই দেশের মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দক্ষিণ এশিয়ার এই অংশ। যা নিয়ে উত্তেজনা ছড়াতে শুরু করে।
গত ৯ অক্টোবর পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দুই দেশের সীমান্ত। পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের সীমান্ত সংঘর্ষের জেরে ৭০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয় বলে খবর।
কাবুল এবং কান্দাহারে পাকিস্তান হামলা শুরু করলে, আফগানিস্তানও পালটা হানাদারি শুরু করে। পাক সেনার বাঙ্কার ভেঙে, গুঁড়িয়ে দেয় তালিবান। যা নিয়ে দুই দেশের মাঝে প্রবল উত্তেজনা ছড়ায়। এরপরই আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানে শান্তি বৈঠকে বসে। তবে সংঘর্ষ বিরিত ফলপ্রসূ হলেও, বিফলে যায় শান্তি আলোচনা।
তালিবানের বক্তব্য
তালিবানের আভ্যন্তরীণ মন্ত্রী সিরাজউদ্দিন হক্কানি বলেন, আমরা দুই মুসলিম দেশ পাশাপাশি বসবাস করি। দুই দেশের মানুষ একে অপরের ভাই। তারপরও কিছু মানুষজন সজ্ঞানে এবং অজ্ঞানে আগুন নিয়ে খেলছে। যুদ্ধ যুদ্ধ খেলাও শুরু হয়েছে বলে পাকিস্তানকে কটাক্ষ রকরেন তালিবান মন্ত্রী। যা অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে মন্তব্য করেন সিরাজউদ্দিন হাক্কানি।
এসবের পাশাপাশি আফগানিস্তান যুদ্ধ চায় না। তারা সব সময় শান্তির পক্ষে। তবে নিজের দেশ এবং মাটি রক্ষার সর্বত-চেষ্টা আফগানিস্তান করবে। তাই পাকিস্তানকে যে কোনওভাবে ছেড়ে দেওয়া হবে না, তা স্পষ্ট করে দেন তালিবান মন্ত্রী।