Coronavirus Cases In West Bengal: রাজ্যে করোনার সর্বগ্রাসী থাবা, পুজোর শুরুতেই  মৃত্যু ৬ হাজার ছাড়ালো
ভারতে করোনা (Photo Credits: PTI)

কলকাতা, ১৯ অক্টোবর: পুজো এখনও শুরু হয়নি তবে করোনার থাবা কিন্তু দাঁত নখ বিস্তার করে আমাদের গ্রাস করতে আসছে। পশ্চিমবঙ্গে হু হু করে বাড়ছে মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ (Coronavirus Cases In West Bengal)। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডক্টর হর্ষবর্ধন বলেছিলেন জুলাই মাস থেকেই এ রাজ্যে গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়েছে। এখন পরিস্থিতি ভয়াবহ বললেও কম বলা হয়। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮১৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের। অন্যদিকে, উত্তর ২৪ পরগনায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ৮৩৮ জন, মৃত ১৭। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ৩,৯৮৩ জন। এর মধ্যে ১৬৫১ জনই ওই দুই জেলার। কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনাকে বাদ দিলে, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় এখনও পর্যন্ত আক্রান্ত ২১,৩৮০ জন।

একইভাবে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৪০২ জন। হাওড়ায় গত একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ২৬৯ জন, হুগলিতে আক্রান্ত ১৪৮ জন, পূর্ব মেদিনীপুরে  ১৪০, পূর্ব বর্ধমানে ৯২, পশ্চিম মেদিনীপুরে ১৬৬ জন। রবিবারের (১৮ অক্টোবর) বুলেটিন অনুযায়ী, নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৯৮৩ জন মানুষ। গতকালের চেয়ে যা অনেকটাই বেশি এবং অতি অবশ্যই নতুন রেকর্ড। একইসঙ্গে মৃত্যু হয়েছে নতুন করে আরও ৬৪ জনের। তবে আশার আলো বলতে, রাজ্যে এখনও সুস্থতার হার ৮৭.৫৫ শতাংশ। কিন্তু সেই সুস্থতার হারও ধীরেধীরে কমছে। তবে, রাজ্যের সুস্থতার হার জাতীয় গড়ের তুলনায় এখনও পর্যন্ত বেশ কিছুটা বেশি। বাংলায় সুস্থতার হার নিয়ে গত সেপ্টেম্বর মাসেই সন্তোষ প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। যদিও বাংলায় মৃত্যুর পরিসংখ্যান এখনও বিশেষজ্ঞদের মাথাব্যথার কারণ। এই মৃত্যু মিছিল রোধে প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কেন্দ্রের তরফেও রাজ্যকে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন-J P Nadda Visit To Siliguri: সোমবার শিলিগুড়ি সফরে আসছেন জে পি নাড্ডা

এদিকে মারণ ভাইরাসের কামড়ে রাজ্যে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজার ০৫৬ জনের। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গিয়েছেন ৬৪ জন। শুধু কলকাতা এবং উত্তর ২৪ পরগনায় এই সংখ্যাটা ১৩ ও ১৭ জন করে। ভারতে করোনা সংক্রমণ শিখরে পৌঁছেছে কেন্দ্র নিযুক্ত প্যানেলের দাবি। যদি পুজোর মরশুমে সতর্ক হওয়া যায় এবং শীতকালে একটু সাবধানে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা যায় তাহলে আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে কমতে পারে সংক্রমণ।