WB Assembly Elections 2021: ‘এক পায়ে বাংলা জয় করব, আর দুটো পায়ে দিল্লি জয় করতে হবে আগামী দিনে’
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Photo Credits: Twitter)

চুঁচুড়া, ৫ এ্রপ্রিল: “এক পায়ে বাংলা জয় করব, আর দুটো পায়ে দিল্লি জয় করতে হবে আগামী দিনে।” চুঁচুড়ার জনসভায় ঝড় তুললেন মমতা। তিনি বলেন, “১০১টি জল প্রকল্পের কাজ চলছে হুগলি। ৭৫টা হয়ে গেছে। মগরা উত্তরপাড়া জিটিরোড, পোলব ব্যান্ডেল রাজারহাট-সহ জেলায় ১৫০টির বেশি রাস্তা হয়েচে। কুন্তী নদীর উপরে সেতু হয়েছে। এখানেই ভারতের প্রথম টায়ার কারখানা তৈরি হয়। জুট শিল্প রয়েছে। ডানলপ, জেসপ বন্ধ রয়েছে। কারখানার মালিক বিজেপি হয়ে গেছে। তাই কেন্দ্রে এই কারকানা বন্ধের জন্য মালিকের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। রাজ্য চিঠি দিয়ে বার বার কেন্দ্রের কাছে দরবার করেছে, জেসপ ও ডানলপ অধিগ্রহণের জন্য। তবে মোদি সরকার তাতে সাড়া দেয়নি। বরং এখন পবন রুঁইয়া এখন বিজেপির আঁচলের তলায় লুকিয়ে আছে। এখানে তাঁতশিল্প একটা বড় শিল্প। এখানে তাঁতশিল্পের হাব হচ্ছে।”  আরও  পড়ুন-Coronavirus Cases In India: একদিনে সংক্রামিত লক্ষাধিক, করোনার নাগপাশে ভারত

“ফুরফুরা শরীফে আমরা কাজ করেছি। মাহেশেও কাজ হয়েছে। আমরা গরিবের পার্টি, বড়জোর দু এক লাখ টাকা খরচ করে মিটিং করছি। বিজেপি চোরেদের পার্টি। নেতা মন্ত্রী পাঁচ কোটি ১০ কোটি ১০০ কোটি খরচ করে মিটিং করছে। তপন মজুমদার একটু দুষ্টু মিষ্টি নেতা। এবার কাউন্সিলরে দাঁড়াবে, গ্রাম পঞ্চায়েতে দাঁড়াবে, স্কুল বোর্ডে দাঁড়াবে। বাবুল সুপ্রিয় বলেছিল সারদা হল রোজভ্যালির প্রথম রোজ। লকেট হল সারদাদের গলার লকেট। কেউ খাবে আর কেউ খাবে না। তা হবে না তা হবে না। এমপি ইলেকশন, এমএলএ ইলেকশনে কলকাতা থেকে বিজেপি লোক এনে দাঁড় করাচ্ছে। বিজেপি লোকাল লোকেদের সম্মান দেয় না। লকেট জিতবে না, টাকার জোরে দাঁড়িয়ে। গ্যাস কিনব ৯০০ টাকায় তোমায় কেন ভোট দেব। ৫০০ টাকাকে চাই করে দেব। বিজেপিকে ভাল করে ফোটান তবেই বুঝতে পারবে লোকর কি দুঃখ। কেন্দ্রের সমস্ত নেতারা রাজ্যে এসে পড়ে আছে। সুনার বাংলা গরবে, ভাল করে বাংলা বলতে পারে না। গুজরাট বাংলা শাসন করবে না। বাংলাই বাংলা শাসন করবে।”

“বিজেপির মন্ডলরা আট দফার নির্বাচন করেছে। কোভিড হয়েছে নির্বাচন বন্ধ করে দাও। এটা চায় বিজেপি? এই চালাকি চলবে না। নির্বাচন শুরু যখন হয়েছে শেষও করতে হবে। আয়ুই নেই তো আয়ুষ্মান। ও দেবে দু’লাখ আর ঘর থেকে দিতে হবে তিনলাখ। আর আমরা ৫ লাখই দিচ্ছি। বাড়ির মেয়েরা এই স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের অভিভাবক। আগামী দিনে তৃণমূল সরকার গড়লে বাড়ির দুয়ারে রেশন পৌঁছে দেব। মা বোনেদের হাত খরচা দেব।কৃষকবন্ধু একর প্রতি ১০ হাজার টাকা পাবেন। প্রান্তিক চাষি, ও খেত মজুররা ৫ হাজার টাকা পাবেন। বাংলা বাংলায় থাকবে। বাংলা গুজরাটিদের দখল করে নেব। বাঙালিদের মেরুদণ্ড ভাঙার ক্ষমতা মোদি অমিত শাহর নেই। ওরা যত ভেঙাবে ততই জিভ কাটবে। সবকটা নিয়ে বাংলায় বসে আছে টাকার ভান্ডার নিয়ে। সাড়ে ন’শো টাকা যেখানে গ্যাসের দাম হয় সেখানে ক্যাশের দাম নেই।”