Mamata Banerjee: ‘১০ বছর ধরে সরকারের থেকে সবটা খেয়ে ভোটের সময় এর ওর সঙ্গে বোঁচকা বাঁধলে বরদাস্ত করব না’, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
চার দিনের উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে একেবারে নির্বাচনী প্রচারের ভূমিকায় দেখা গেল তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee)। ১৯৯৮ সালে ১ জানুয়ারি তৃণমূলের জন্ম। বহু ঝড় জল পেরিয়ে ২০ বছরেরও বেশি সময় কাটিয়ে দেওয়া ঘাসফুলের বাগানে এমন ভাঙনের রব আগে কখনও ওঠেনি। তাও আবার ভোটের সময়। এতদিন দলের সঙ্গে থাকার পর ঠিক বিধানসভা ভোটের আগে আগে বিধায়ক সাংসদদের এই দলবদল নিয়ে দিদির সোজা সাপটা বক্তব্য, ‘‘দশ বছর ধরে পার্টির হয়ে খেয়ে, দশ বছর সরকারে থেকে সরকারের সবটা খেয়ে ভোটের সময় এর সঙ্গে, ওর সঙ্গে বোঝাপড়া করা!আমি কিন্তু তাঁদের সহ্য করব না, এটা মাথায় রাখবেন।
জলপাইগুড়ি, ১৬ ডিসেম্বর: চার দিনের উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে একেবারে নির্বাচনী প্রচারের ভূমিকায় দেখা গেল তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee)। ১৯৯৮ সালে ১ জানুয়ারি তৃণমূলের জন্ম। বহু ঝড় জল পেরিয়ে ২০ বছরেরও বেশি সময় কাটিয়ে দেওয়া ঘাসফুলের বাগানে এমন ভাঙনের রব আগে কখনও ওঠেনি। তাও আবার ভোটের সময়। এতদিন দলের সঙ্গে থাকার পর ঠিক বিধানসভা ভোটের আগে আগে বিধায়ক সাংসদদের এই দলবদল নিয়ে দিদির সোজা সাপটা বক্তব্য, ‘‘দশ বছর ধরে পার্টির হয়ে খেয়ে, দশ বছর সরকারে থেকে সরকারের সবটা খেয়ে ভোটের সময় এর সঙ্গে, ওর সঙ্গে বোঝাপড়া করা!আমি কিন্তু তাঁদের সহ্য করব না, এটা মাথায় রাখবেন।”
কখনও মেদিনীপুর, কখনও কোচবিহার, কখনও নদিয়া, কখনও বারাকপুর তো কখনও আসানসোল। সব দিক থেকেই শাসক দলের প্রতিনিধিরা আসরে নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। তৃণূলের দাপুটে নেতা শুভেন্দু অদিকারী একসঙ্গে কাজ করা যাচ্ছে না, এই দোহাই দিয়ে আগেই মন্ত্রীত্ব ছেড়েছেন। রাহুল গান্ধী তাঁকে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার অফার দিলেও সৌজন্যতা দেখিয়ে বার্তা বাহককে নিজের অপারগতার কথা জানিএছেন। শোনা যাচ্ছে আগামী শনিবার আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু দল ছাড়লেও অনেক নেতা কর্মী ও এক সঙ্গে তৃণমূল ছাড়বে, তা বেশ স্পষ্ট। এদিকে বারাকপুরের সাংসদ শীলভদ্র দত্ত প্রকাশ্যেই বলেছেন তৃণমূলের টিকিটে আর ভোটে লড়বেন না তিনি। ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কোচবিহারের আর এক বিধায়কও। অন্যদিকে ইতিমধ্যেই কোচবিহারের তৃণমূল বিধায়ক মিহির গোস্বামী বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন। তাঁর দাবি মতো যদি ব্রাহ্মণদের ইচ্ছে পূরণ করা না হয় তাহলে দলবল নিয়ে তিনি কলকাতা অবরুদ্ধ করে দেবেন। অন্যদিকে আসানসোলের তৃণমূল বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারির ক্ষোভ, কেন্দ্রীয় অনুদান আসনাসোলে ঢুকতে দেয়নি তৃণমূল নেতৃত্ব। এর নেপ্থ্যে রয়েছে রাজনৈতিক বিরোধিতা। আরও পড়ুন-PM Narendra Modi on Farmers Protest: বিরোধীরা কৃষকদের 'বিপথে' চালনা করছেন, গুজরাটে তোপ নরেন্দ্র মোদির
রাজ্যজুড়ে যখন এভাবেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটছে, তখন উত্তরবঙ্গ সফর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ বলে দিলেন, দলবদল করা নেতারা নিজেদের ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করতেই দল ছাড়ছেন। তবে তিনি যে এসব মেনে নেবেন না তাও জানিয়েছেন।
(The above story first appeared on LatestLY on Dec 16, 2020 09:11 AM IST. For more news and updates on politics, world, sports, entertainment and lifestyle, log on to our website latestly.com).

