কলকাতা: বাংলা সাহিত্যের একজন শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক ও গল্পকার তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Tarasankar Bandyopadhyay) আজ জন্মদিবস। তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যে অমর নাম। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে গণদেবতা, কালীন্দী, হাঁসুলী বাঁকের উপকথা, নাগিনী কন্যার কাহিনী, অরোগ্য নিকেতন ইত্যাদি। এই কাজগুলোতে তিনি গ্রামীণ সমাজের জীবনযাত্রা, জাতপাতের সমস্যা, অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং মানুষের সংগ্রামের কথা তুলে ধরেছেন। গণদেবতা উপন্যাসের জন্য তিনি ১৯৬৬ সালে জ্ঞানপীঠ পুরস্কার লাভ করেন, যা ভারতের সর্বোচ্চ সাহিত্য সম্মান। তিনি রবীন্দ্র পুরস্কার, সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার এবং পদ্মশ্রী ও পদ্মভূষণে ভূষিত হন।
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৯৮ সালের ২৩ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার লাভপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর সাহিত্যকর্মে গ্রামীণ বাংলার জীবন, সমাজ, সংস্কৃতি এবং মানুষের জীবনযাত্রার সূক্ষ্ম চিত্র ফুটে উঠেছে। তাঁর লেখায় বরাবরই বাস্তবতা, মানবিকতা এবং সমাজের নানা স্তরের প্রতিচ্ছবি গভীরভাবে প্রকাশ পেয়েছে। আরও পড়ুন: West Bengal Weather Update: বঙ্গোপসাগরে ফের ঘনীভূত নিম্নচাপ,জেলায় জেলায় দুর্যোগ, জেনে নিন বুধের আবহাওয়ার হালহকিকত
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিবসে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এক্স হ্যান্ডেল পোস্টে লিখছেন, “প্রবাদপ্রতিম কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিবসে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে তাঁর অবদানের জন্য তাঁকে সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই। তাঁর 'গণদেবতা', 'পঞ্চগ্রাম', 'ধাত্রীদেবতা', 'হাঁসুলী বাঁকের উপকথা', 'কবি' প্রভৃতি উপন্যাস বাংলা সাহিত্যের অমর সৃষ্টি। এ রাজ্যে দায়িত্বে আসার পর আমরা বীরভূমের লাভপুরে তাঁর জন্মভিটা 'ধাত্রীদেবতা' বাড়িটি সংস্কার করেছি। তাঁকে স্মরণ করে লাভপুর এবং ময়ূরেশ্বর ২ ব্লকের মধ্যে ময়ূরাক্ষী নদীর ওপর গুনুটিয়া ব্রিজকে ‘তারাশঙ্কর সেতু’ নামকরণ করা হয়েছে। এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির পক্ষ থেকে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'আমার সাহিত্য জীবন' পুনঃপ্রকাশ করা হয়েছে। তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদানের জন্য চিরকাল বাংলাভাষী মানুষের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।”
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিবসে মুখ্যমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন
প্রবাদপ্রতিম কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিবসে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে তাঁর অবদানের জন্য তাঁকে সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই। তাঁর 'গণদেবতা', 'পঞ্চগ্রাম', 'ধাত্রীদেবতা', 'হাঁসুলী বাঁকের উপকথা', 'কবি' প্রভৃতি উপন্যাস বাংলা সাহিত্যের অমর সৃষ্টি।
এ রাজ্যে দায়িত্বে আসার পর…
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) July 23, 2025