CM Mamata Banerjee-Governor Jagdeep Dhankhar: মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালের চিঠিতে বাদানুবাদ, আলোচনা হবে কিনা তা নিয়ে কাটল না ধোঁয়াশা
মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালের বাদানুবাদ (Photo Credit: PTI/Twitter)

কলকাতা, ১৬ ডিসেম্বর: মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালের বাদানুবাদে ফের উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। এমনিতেই সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত রাজ্য। আজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির (Mamata Banerjee) নাগরিকত্ব আইন বিরোধী মিছিলকে কেন্দ্র করে ক্ষুন্ন হন তিনি। বারবার তলব করা সত্বেও দেখা দেননি মুখ্যমন্ত্রী। এরপর আগামীকাল রাজভবনে মুখ্যমন্ত্রীকে তলব করে চিঠি লেখেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখর (Jagdeep Dhankhar)। মুখ্যমন্ত্রীর সুবিধামতো সময়ে দেখা করতে বলেন। টুইট করে সেকথা জানান রাজ্যপাল নিজেই।

এরপরই সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রীর দিক থেকে উত্তর আসে।রাজ্যপালকে লেখা সংক্ষিপ্ত চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “রাজ্য সরকার এবং রাজ্যের সিনিয়র অফিসারদের সমালোচনা করে আপনি ঘন ঘন যে সাংবাদিক বৈঠক করছেন ও টুইট করছেন, তা দেখে আমি খুবই মর্মাহত। আপনি নিশ্চয়ই বুঝবেন যে গোটা দেশে যে পরিস্থিতি চলছে তার নিরিখে রাজ্যে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখাটাই এখন প্রশাসনের মূল লক্ষ্য”। আরও পড়ুন, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বিরোধী মিছিল 'অসাংবিধানিক এবং উস্কানিমূলক', মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ রাজ্যপালের

আজ সকালেই আইনের বিরুদ্ধে পথে নেমে মিছিল করাকে 'অসাংবিধানিক এবং উস্কানিমূলক' বলে টুইট করেন রাজ্যপাল। তাঁর ডাকা আলোচনা বারবার এড়িয়ে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী বলে দাবি রাজ্যপালের। এরপর মুখ্যমন্ত্রীকে খোঁচা মেরে এই মন্তব্য নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি করে।

রাজ্যপালকে লেখা মুখ্যমন্ত্রীর চিঠি সামনে আসার পরই পাল্টা টুইট করেন রাজ্যপাল। তিনি লেখেন-

কিছুক্ষণ পর এই টুইট করেন রাজ্যপাল। সেখানে আরও একবার আগামীকাল রাজভবনে মুখ্যমন্ত্রীকে ডেকে পাঠানোর প্রসঙ্গটি উল্লেখ করেন জগদীপ ধনখর। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন,আগামীকাল রাজভবনে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার জন্য অপেক্ষা করছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা চিঠিটিও প্রকাশ করেন তিনি। আসল পরিস্থিতি থেকে মুখ্যমন্ত্রী মুখ ফিরিয়ে আছেন বলে চিঠিতে তোপ দেগেছেন রাজ্যপাল ধনখর।

প্রসঙ্গত, আজ রাজ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে রিপোর্ট নিতে সকাল ১০টায় রাজভবনে মুখ্যসচিব (Chief Secretary) ও রাজ্য পুলিসের ডিজিপি (DGP)-কে ডেকে পাঠান রাজ্যপাল। কিন্তু, এদিন রাজভবনে মুখ্যসচিব ও ডিজিপি কেউই উপস্থিত হননি। এতে চরম ক্ষুব্ধ হন রাজ্যপাল। এরপরই আগামীকাল মুখ্যমন্ত্রীকে তলব করেন তিনি। সে বিষয়ে এখনও কোনও জবাব কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী দেননি।