Mamata Banerjee On CAA: ব্যাঙ্ক ও পোস্ট অফিসগুলি সার্ভে করছে: মমতা ব্যানার্জি
মমতা ব্যানার্জি (Photo Credits: Twitter)

বাঁকুড়া, ১৩ ফেব্রুয়ারি: পুরভোটের আগে বাঁকুড়ার প্রশাসনিক বৈঠকে গিয়ে জেলার আধিকারিকদের সিএএ (CAA) ও এনআরসি (NRC) নিয়ে ফের সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি (Mamata Bnaerjee)। বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ার রবীন্দ্রভবনে প্রশাসনিক বৈঠকে তিন বলেন, "আমি রিপোর্ট পেয়েছি যে হাবরায় ১৫ জন বিজেপি কর্মী একটি গয়নার দোকানে গিয়ে সিএএ / এনআরসি-র জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চেয়েছিলেন। তারা কে এবং কে তাদের এই কাজ করার অধিকার দিয়েছে? কেউ যদি আপনার বাড়িতে আসে তবে তাকে কোনও কাগজপত্র দেবেন না।" মমতা ব্যানার্জি বলেন, "ব্যাঙ্ক এবং পোস্ট অফিসগুলি বিজেপির নাম না নিয়ে সার্ভে করছে। তারা বাড়ি বাড়ি যাচ্ছে। কারও তথ্য দেওয়া উচিত নয়। রাজ্য সরকারের অনুমোদন ব্যতীত তারা এই কাজ করতে পারে না।"

আনন্দবাজারের খবর অনুযায়ী, বৈঠকে অন্তত তিনটি সরকারি দফতরের কাজকর্মে তিনি যে সন্তুষ্ট নন, তা জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠকে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতর, জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতর (পিএইচই) এবং পূর্ত দফতরের ভূমিকায় উষ্মা চেপে রাখেননি তিনি। মুখ্যসচিব রাজীব সিংহকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘ভূমি দফতর আর পিএইচইতে ঘুঘুর বাসা আছে।’’ মমতার ভর্ৎসনার মুখে পড়ে পূর্ত দফতরও। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘‘খরচা করে দশ শতাংশ, নব্বই শতাংশ বেশি দিয়ে দেয়। দেখলেই ভয় লাগে।’’ সরকারি খরচের ক্ষেত্রে কোন বিষয় গুরুত্ব পাবে, তা-ও এ দিন স্পষ্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘‘আমি লোকের পেটে ভাত দিতে চাই। সে টাকাটা খরচ করব, যেটা দিলে লোকের পেটে দু’টো ভাত পড়বে। সে খরচ করব না, যাতে কেউ কারও ভাত কেড়ে পেটে ভরতে পারে।’’ আরও পড়ুন: East-West Metro: আজ ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর উদ্বোধনে শহরে রেলমন্ত্রী পীযূষ গয়াল, আমন্ত্রিত নন মমতা ব্যানার্জি

বাঁকুড়ার বিজেপি সাংসদ সুভাষ সরকারের অবশ্য কটাক্ষ, ‘‘ভোট-কুশলীর শেখানো বুলি আউড়ে পুরভোটের বৈতরণী পার হতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী।’’ সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অমিয় পাত্রও বলেন, ‘‘সরকারি দফতরগুলিতে যে ঘুঘুর বাসা রয়েছে, রাজ্যবাসী তা আগেই জেনেছেন। মুখ্যমন্ত্রী এত দিন বাদে তা জানলেন, এটাই আশ্চর্যের!’’