WB Assembly Elections 2021: প্রথম দফা নির্বাচনের আগে আজ পুরুলিয়ায় নরেন্দ্র মোদি, সভার দায়িত্বে ঝাড়খণ্ডের নেতা
নরেন্দ্র মোদি (Photo Credits: ANI)

পুরুলিয়া, ১৮ মার্চ: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোট রাজনীতিতে (WB Assembly Elections 2021) তৎপর গোটা রাজ্যে। আগামী ২৭ মার্চ প্রথম দফার নির্বাচন। তার আগে শাসক বিরোধী দুই শিবিরের তরফে শুরু হয়ে গেছে জোর কদমে প্রচার। কে কোন দিক থেকে প্রচারে জনমতের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারবে তাই নিয়েই চলছে দড়ি টানাটানি। ১০ তারিখে নন্দীগ্রামে পড়ে গিয়ে পায়ে চোট পান তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর ১৪ তারিখে কলকাতায় রোড শোয়ের পর সোমবার পুরুলিয়ার ঝালদায় সভা ককরেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার বাঁকুড়ায় তিনটি সভার পর বুধবার ঝাড়গ্রামে জোড়া সভা ছিল তৃণমূল নেত্রী।তবে পুরুলিয়া প্রথম দফার নির্বাচনে এবার হটস্পট। কারণ গত লোকসভা নির্বাচনে পুরুলিয়ায় পদ্ম শিবির জয়ের হাসি হাসে। এদিকে বিধানসভাতেই সেই জয় ধরে রাখার পাশাপাশি সমগ্র পুরুলিয়ায় জনসমর্থন পেতে মরিয়া বিজেপি। আরও পড়ুন-WB Assembly Elections 2021: ভারতের সবচেয়ে ভ্রষ্টাচারী দল বিজেপি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

একারমেই অমিত শাহ, জেপি নাড্ডার পর এবার সেই পুরুলিয়াতে ভোট প্রচারে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পুরুলিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের ভাঙড়ার নবকুঞ্জের মাঠে নির্বাচনী সভা করবেন তিনি। ১৯ জানুয়ারি হুটমুড়ার যে ফুটবল মাঠে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সভা করেছিলেন, সেই মাঠে নামবে প্রধানমন্ত্রীর কপ্টার। মোদির এই সভার ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছেন পাশের রাজ্য ঝাড়খণ্ডের কোডার্মা লোকসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ রবীন্দ্রকুমার রায় এবং পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোর্তিময় মাহাতো। এমনিতেই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের বহিরাগত বলে নিশানা করে তৃণমূল, সেখানে মোদির সভায় একজন ভিন রাজ্যের নেতাকে দায়িত্ব দেওয়ায়, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা।

২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনে পুরুলিয়া বিধানসভা কেন্দ্রে প্রায় ৫ হাজার ভোটে জিতেছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী সুদীপ মুখোপাধ্যায়। কিন্তু ১৯-এর লোকসভা ভোটে পুরুলিয়া কেন্দ্রটি তৃণমূলের হাত থেকে ছিনিয়ে নেয় বিজেপি। সেইসঙ্গে বিধানসভাভিত্তিক ফল অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, পুরুলিয়ার ৯টি বিধানসভা কেন্দ্রের ৮টিতেই এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। শুধুমাত্র মানবাজারের এগিয়ে তৃণমূল। প্রধানমন্ত্রীর সভা প্রসঙ্গে সুদীপবাবুর মন্তব্য, “প্রধানমন্ত্রী আসবে, দেখছেন তো ঝাড়খণ্ড থেকে লোক আনছে, এই ভাবেই সভায় লোক আনবে। মুখ্যমন্ত্রীর সভা যেখানে হয়েছিল, সেখানে চপার নামাচ্ছে, মমতার যা লোক হয়েছিল, তারা সিকিভাগও হবে না।”