FIFA to BAN AIFF? সম্প্রতি প্রকাশিত বিভিন্ন রিপোর্ট বলছে, সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (All India Football Federation) যদি ৩০ অক্টোবরের মধ্যে এর সংবিধান অনুমোদন করাতে ব্যর্থ হয় তবে এই সংস্থাকে তিন বছরের মধ্যে দ্বিতীয়বারের জন্য ব্যান করা হতে পারে। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) এআইএফএফ (AIFF) প্রেসিডেন্ট কল্যাণ চৌবে (Kalyan Chaubey)-কে ফিফা (FIFA) এবং এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (AFC)-এর লেখা চিঠিতে সংবিধান বাস্তবায়নে চলমান ব্যর্থতার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে যে AIFF-কে সুপ্রিম কোর্ট থেকে চূড়ান্ত আদেশ নিতে হবে এবং FIFA এবং AFC এর নিয়ম অনুযায়ী সুনিশ্চিত করতে হবে। এরপর সময়সীমার আগে ফেডারেশনের জেনারেল বডির থেকে এটি অনুমোদিত করতে হবে। যদি এ পদক্ষেপগুলি নেওয়া না হয়, তাহলে ভারতের ফুটবল দল এবং এর ক্লাবগুলোকে আন্তর্জাতিক ইভেন্ট থেকে নিষিদ্ধ করা হতে পারে। AIFF on Subhasish Bose: জাতীয় দায়িত্বে চোট পাননি মোহনবাগানের শুভাশিষ বোস, দাবি সর্বভারতীয় ফুটবলের
ফিফা ব্যানের মুখে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন
🚨BREAKING : lNDIA FACE A POSSIBLE FIFA BAN. #90ndstoppage
FIFA HAS SET A DEADLINE DATE OF OCTOBER 30TH - TO ADOPT THE NEW AIFF CONSTITUTION! ❌👀 pic.twitter.com/NzRzYVQzvy
— 90ndstoppage (@90ndstoppage) August 26, 2025
এর আগে কবে ব্যান হয়েছে এআইএফএফ?
ভারতকে এর আগে ১৬ আগস্ট ২০২২-এ ফিফা 'তৃতীয় পক্ষের প্রভাব'-এর জন্য ব্যান করেছিল। তার কারণ সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত প্রশাসক কমিটি এই ফেডারেশনের তত্ত্বাবধানে ছিল। যদিও সেই নিষেধাজ্ঞা দশ দিন পরে সরিয়ে নেওয়া করা হয়। এরপর কমিটির কার্যক্রম শেষ হলে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে চৌবে সভাপতি নির্বাচিত হন। তবে ২০১৭ সাল থেকে এআইএফএফ সংবিধান সংক্রান্ত বিষয়টি অমীমাংসিত রয়েছে, যদিও সুপ্রিম কোর্ট বলেছে যে এই বিষয়ে রায় দিতে প্রস্তুত। তবে আদালত সম্প্রতি জাতীয় স্পোর্টস গভর্নেন্স আইন, ২০২৫ (National Sports Governance Act, 2025)-এর প্রভাব পরীক্ষা করার জন্য এই ঘোষণায় দেরী করেছে। মামলাটির শুনানি ২৮ আগস্ট হওয়ার কথা রয়েছে।
ব্যান হলে কি হবে এআইএফএফের?
যদি ব্যান করা হয়, তাহলে ভারত ফিফা এবং এএফসি সদস্য হিসেবে সমস্ত অধিকার হারাবে, যা দেশের ফুটবলের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।