নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আজ রাজা রামমোহন রায়ের ১৯৩ তম প্রয়াণ দিবস পালিত হচ্ছে। বাংলার নবজাগরণের পথিকৃৎ সমাজ সংস্কারক রাজা রামমোহন রায় সতীদাহ প্রথা ও বাল্যবিবাহ রোধ করার উদ্যোগ গ্রহণ করে কঠিন লড়াই, সংগ্রাম করেছিলেন তৎকালীন সমাজে। তার ঐকান্তি ক প্রচেষ্টা ও উদ্যোগে রদ (abolish )হয়েছিল সতীদাহ প্রথা। রাজা রামমোহন রায় ছিলেন ব্রাহ্মসমাজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তৎকালীন সময়ে মানুষের মধ্যে শিক্ষার প্রসার ঘটানোর লক্ষ্যে তিনি ব্রতী হয়েছিলেন শিক্ষা প্রসারে।১৮৩৩ সালের ২৭ শে সেপ্টেম্বর ইংল্যান্ড এর ব্রিস্টল শহুরে রাজা রামমোহন রায় প্রয়াত হন।
রাজা রামমোহন রায়ের তিরোধান দিবস উপলক্ষে কলকাতা পুরসভার উদ্যোগেযে কলকাতার পার্ক স্ট্রিট ও ফোর্ট উইলিয়ামের সংযোগস্থলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট জনেরা রাজা রামমোহন রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করবেন।
সামাজিক মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের-
বাংলার নবজাগরণের পথিকৃৎ ও প্রধান স্থপতি রাজা রামমোহন রায়ের প্রয়াণদিবসে তাঁকে জানাই আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম।
এই মহান সমাজ সংস্কারক বাংলায় তথা সারা বিশ্বজুড়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন তাঁর প্রগতিশীল চিন্তাধারার জন্য। শিক্ষার প্রসার থেকে শুরু করে সতীদাহ প্রথার বিলোপ – অচলায়তনকে…
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) September 27, 2025
মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বার্তায় লেখেন- বাংলার নবজাগরণের পথিকৃৎ ও প্রধান স্থপতি রাজা রামমোহন রায়ের প্রয়াণদিবসে তাঁকে জানাই আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম।
এই মহান সমাজ সংস্কারক বাংলায় তথা সারা বিশ্বজুড়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন তাঁর প্রগতিশীল চিন্তাধারার জন্য। শিক্ষার প্রসার থেকে শুরু করে সতীদাহ প্রথার বিলোপ – অচলায়তনকে ভেঙে তিনিই এই বাংলায় এক নতুন সমাজ গঠনের পথ দেখিয়েছিলেন। তাঁর জীবন ও আদর্শ আজও আমাদের পথ চলার শক্তি জোগায়।